রাজীব গান্ধী ও সনিয়া গান্ধী, দু’জনেই বিরোধী দলনেতার পদে ছিলেন। উল্লেখ্য, শুধু সংসদে বিরোধীদের নেতৃত্ব দেওয়া নয়, লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে রাহুল সিবিআই অধিকর্তা, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন, মুখ্য ভিজিল্যান্স কমিশনার বাছাইয়ের প্যানেলেও থাকবেন। বিরোধী দলনেতা হিসেবে রাহুল ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমান পদমর্যাদা, বেতন, বাংলো ও নিরাপত্তা পাবেন।
অষ্টাদশ লোকসভার নবনির্বাচিত স্পিকার ওম বিড়লাকে অভিনন্দন জানালেন রাহুল গান্ধি। সঙ্গে বলেলেন, "আশা করব, আপনি বিরোধীদের বলার সুযোগ করে দেবেন এবং সংবিধানকে রক্ষা করবেন।" হাত মেলালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও।
রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করেন, কংগ্রেস যদি সত্যিই না জানিয়ে জোটের তরফে স্পিকার প্রার্থী ঘোষণা করে থাকেন তাহলে সেটা রাহুল যতই মুখে 'জয় সংবিধান' বলুন না কেন, তা উচিৎ হয়নি।
রবিবারই নিট-পিজি হওয়ার কথা ছিল। অ্যাডমিট কার্ডও পেয়ে গিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। কিন্তু শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয়, এনটিএর অধীনে একাধিক পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবে নিট পিজি পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
একদিকে, ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা। অন্যদিকে, গবেষক-অধ্যাপকদের নির্বাচনী পরীক্ষা। নিট (NEET) অর্থাৎ, চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়বার জন্য যে পরীক্ষা দিতে হয় সেই পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হল। তথৈবচ ইউজিসি-নেট (UGC-NET) পরীক্ষায়। তফাৎ একটাই, নেট (NET) বাতিল হয়েছে, নিট (NEET) এখনও হয়নি। মজার কথা, দু'টোই সর্বভারতীয় স্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই পরীক্ষা।
এবারের লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলি এবং কেরলের ওয়েনাড় থেকে জয়লাভ করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কিন্তু বর্তমানে তিনি ওয়েনাড় কেন্দ্রটি ছেড়ে দিয়েছেন তারই বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে।
এরপরে ইন্ডিয়া জোট নিয়ে সরকার গড়ার চর্চা শুরু হয় দেশজুড়ে। কিন্তু বাস্তবে ইন্ডিয়া জোট সরকার গড়ার জন্য নিজেদের দাবি জানাইনি। ফলে একক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ না হয়েও সহযোগী দলের সাহায্যে তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করে মোদি।