লোকসভায় চলতি বিশেষ অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর হিন্দুধর্মকে নিয়ে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এমনকি রেকর্ড থেকেও মুছে ফেলা হয়েছে রাহুলের ভাষণের কিছুটা অংশ। যদিও এভাবে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমিয়ে রাখা যাবে না বলে সরব ‘ইন্ডিয়া’ জোট। এদিকে আজ, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা নাগাদ সংসদে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সোমবার রাহুল গান্ধী বলেছেন, নরেন্দ্র মোদি শুনেছেন। আজ প্রধানমন্ত্রীর পালা। বিরোধী দলনেতা তাঁর ভাষণে বলেন, “বিজেপি এবং আরএসএস-এর প্রতিনিধিরা হিন্দু ধর্মের নামে দেশে হিংসা ছড়াচ্ছেন।” যদিও বিজেপি মনে করছে, এটা সমগ্র হিন্দুজাতির অপমান! কিন্তু কংগ্রেসের তরকে বলা হয়েছে, রাহুল এই উদ্দেশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। বরং তিনি বিজেপি এবং আরএসএস-এর প্রতিনিধিদের কটাক্ষ করতেই এই মন্তব্য করেছিলেন।



অষ্টাদশ লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসাবে প্রথমবারের জন্য বক্তব্য রাখেন রাহুল গান্ধী। চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপিকে। রাহুলের মতে, দেশজুড়ে ধর্মের নামে ভয় সৃষ্টি করছে বিজেপি। সংসদে বিভিন্ন ধর্মগুরুদের বাণী এবং ছবি ব্যবহার করে রাহুল তাঁর বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে ভারতের সর্বধর্ম সমন্বয়ের সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছিলেন। রাহুলের বক্তব্যের মাঝেই যদিও প্রতিবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
লোকসভার রেকর্ড থেকে মুছে গেল রাহুলের ‘হিন্দু’ মন্তব্য, সংসদে কি আজ পাল্টা মোদি-ঝড়?



প্রসঙ্গত, হিন্দু ধর্ম, নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি এবং আরএসএস নিয়ে রাহুল যে মন্তব্য করেছিলেন, স্পিকার ওম বিড়লার নির্দেশে তা সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি শিল্পপতি আদানি, অম্বানী এবং অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন, সেগুলিও বাদ হয়েছে। এই নিয়ে মঙ্গলবার প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। স্পিকারকে চিঠি লিখে সেই মন্তব্য কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।







