লোকসভার ২২ নং বিধির ২০ নং অধ্যায় এবং রাজ্যসভার ১৮৭ নং বিধির ১৬ নং অধ্যায়ে স্বাধিকার ভঙ্গের উল্লেখ রয়েছে। নোটিস আনা হলে স্পিকার এবং চেয়ারপার্সন যদি মনে করেন অভিযোগের ভিত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে অভিযুক্তের কাছে কৈফেয়ত চাওয়া হয়।
আলোচ্য বিষয় হলো, এই কংগ্রেস সাংসদ তথা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে একাধিক মানহানির মামলা রয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি জামিনও পেয়েছেন। উল্লেখ্য, গত বছরই মোদি পদবি মামলায় বড়সড় সমস্যায় পড়েছিলেন রাহুল। এমনকি ওই মানহানির মামলায় সাংসদ পদও খোয়াতে হয়েছিল তাঁকে।
বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্র সরকারের একাধিক হেভিওয়েট নেতামন্ত্রীর। নিমন্ত্রণ রক্ষায় গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত।
সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি কেন্দ্র থেকে হেরে গিয়েছেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি। কংগ্রেস প্রার্থী কিশোরীলাল শর্মার কাছে লক্ষাধিক ভোটে হারেন তিনি। এই হারের পর থেকেই কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের কটাক্ষ শুনতে হচ্ছে স্মৃতিকে। চলছে বেলাগাম আক্রমণও।
অগ্নিপথ প্রকল্পে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ৪ বছরের জন্য অগ্নিবীরদের নিয়োগ করা হবে। এই সময়সীমা শেষ হলে, ২৫ শতাংশকে ১৫ বছরের জন্য নিয়োগ করবে সেনা। বাকি ৭৫ শতাংশকে দেওয়া হবে স্বেচ্ছাবসর। যা নিয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি তুলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভে সামিল হতে দেখা গিয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের।
সোমবার সকালে অসমের শিলচর বিমানবন্দরে নামেন রাহুল। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান অসম এবং মণিপুরের কংগ্রেস নেতারা। প্রথমে অসমের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মণিপুরের উদ্দ্যেশে রওনা দেন রাহুল গান্ধী। এর আগে অবশ্য অসমের চাঁচর জেলায় মণিপুরের দুর্গতদের ত্রাণ শিবিরে যান তিনি।