দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করতে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। মদের দোকান বন্ধ থেকে বাইক চলাচলে নিয়ন্ত্রণ—সব মিলিয়ে ভোটের আগে কড়া নজরদারি। বিশেষ করে বাইক ব্যবহারে নতুন নিয়ম নিয়ে অনেকের মধ্যেই ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এক নজরে দেখে নিন কী কী বদল হচ্ছে।
বাইক নিয়ে কী কী নিষেধাজ্ঞা?
- ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকেই (Polling Day-2) সাত জেলায় বাইক র্যালি বা দলবদ্ধ বাইক চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
- ভোটের ১২ ঘণ্টা আগে (মঙ্গলবার সন্ধে থেকে) পিলিয়ন রাইডিং (পিছনে বসানো) বন্ধ
কোথায় ছাড় মিলবে?
তবে সব ক্ষেত্রেই নিষেধাজ্ঞা নয়। কিছু জরুরি পরিস্থিতিতে ছাড় রাখা হয়েছে—


- চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনে
- পারিবারিক অনুষ্ঠান
- স্কুলে বাচ্চাদের আনা-নেওয়া
- জরুরি ব্যক্তিগত কাজ
ভোটের দিন কী নিয়ম?
- সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বাইক ব্যবহার করা যাবে
- মূলত ভোট দিতে যাওয়া বা জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতের জন্য অনুমতি থাকবে
ডেলিভারি ও অফিসযাত্রীদের জন্য কী নিয়ম?
- Swiggy, Zomato-র মতো ডেলিভারি কর্মীরা বাইক ব্যবহার করতে পারবেন
- অফিসযাত্রীদের ক্ষেত্রেও ছাড় রয়েছে
তবে সবার ক্ষেত্রেই পরিচয়পত্র (ID Card) সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক
সাধারণ প্রশ্নের সহজ উত্তর
প্রশ্ন: ভোটের দিন বাইক নিয়ে বেরোনো যাবে?
যাবে, তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (সকাল ৬টা–সন্ধে ৬টা) এবং প্রয়োজনীয় কারণে
প্রশ্ন: ডেলিভারি পরিষেবা বন্ধ থাকবে?
না, চলবে—তবে আইডি থাকতে হবে
প্রশ্ন: অফিসে যাওয়া যাবে বাইকে?
যাবে, পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে


প্রশ্ন: ভোটের আগের দিন কী নিয়ম?
ভোটের ১২ ঘণ্টা আগে থেকে বাইকের পিছনে কাউকে বসানো যাবে না
সব মিলিয়ে, ভোটকে শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রশাসনের এই কড়াকড়ি। তাই অপ্রয়োজনে বাইক ব্যবহার এড়িয়ে নিয়ম মেনে চলাই এখন বুদ্ধিমানের কাজ।







