প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেদিন রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিলেন, ঠিক সেদিনই আবার উত্তর-পূর্ব ভারতের মণিপুরে এলেন কংগ্রেস সাংসদ তথা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে মণিপুর হিংসা বিধ্বস্ত। সোমবার সকালে অসমের শিলচর বিমানবন্দরে নামেন রাহুল। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান অসম এবং মণিপুরের কংগ্রেস নেতারা।
প্রথমে অসমের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মণিপুরের উদ্দ্যেশে রওনা দেন রাহুল গান্ধী। এর আগে অবশ্য অসমের চাঁচর জেলায় মণিপুরের দুর্গতদের ত্রাণ শিবিরে যান তিনি। মণিপুর পৌঁছে সোজা জিরিবামের ত্রাণ শিবিরে উপস্থিত হন রাহুল। সেখানে থাকা মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। গিয়েই রাহুল ঘোষণা করে, “আমি তোমাদের ভাই। তোমরা ভয় পেও না। আমি পাশে আছি।”



এরপর সেখান থেকে সড়কপথে চূড়াচাঁদপুরের উদ্দ্যেশে রওনা দেন বিরোধী দলনেতা। চূড়াচাঁদপুরে জাতিগত হিংসায় ঘরছাড়াদের ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করেন রাহুল গান্ধী। এদিন রাহুলের সঙ্গে ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কেইশাম মেঘচন্দ্র এবং সিএলপি নেতা ও ইবোবি সিং। এই নিয়ে তৃতীয়বার মণিপুর গেলেন রাহুল।
মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক, শান্তির বার্তা নিয়ে মণিপুরে রাহুল



লোকসভা নির্বাচনের পর সদ্য সমাপ্ত বিশেষ অধিবেশনে বিরোধীদের তরফে মণিপুর ইস্যু নিয়ে দফায় দফায় সংসদ সরগরম করতে দেখা যায়। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভাষণ রাখার সময়েও নেপথ্যে ‘মণিপুর’ ‘মণিপুর’ স্লোগান উঠতে থাকে। কুকি ও মেইতেই জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলায় উত্তাপ যেন কিছুতেই কমছে না মণিপুরে। কিন্তু, ভয়াবহ হিংসার পর থেকে এখনও পর্যন্ত উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে পা রাখতে দেখা যায়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।







