২০১৮ সালের এক জনসভায় তৎকালীন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তথা বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সম্পর্কে মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের আদালতে হাজিরা দিতে হল বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের এমপি-এমএলএ আদালতে হাজিরা দেন রাহুল গান্ধী। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ আগস্ট। তবে ওইদিন আর হাজিরা দিতে হবে না কংগ্রেস সাংসদকে।
রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৮ সালে কর্নাটকে বিধানসভা ভোটের প্রচারে গিয়ে শাহের বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য করেছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খুনের মামলার অভিযোগ তুলেছিল রাহুল গান্ধী। এক সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা তৎকালীন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের বিরুদ্ধে দাবি করেন, “বিজেপি সুস্থ ও স্বচ্ছ্ব রাজনীতির কথা বলে অথচ সেই দলের সভাপতি খুনের মামলায় অভিযুক্ত।”



এরপরেই রাহুলের ওই মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা বিজয় মিশ্র। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই আদালতে জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে রাহুলকে ব্যক্তিগত হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাহুল গান্ধী সেই সময় হাজিরা দেননি। শুধু তাই নয় এরপর থেকে একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি সেটা উপেক্ষা করেন। আর তাই শুক্রবার আদালত তাঁকে হাজিরা দেওয়ার শেষ সুযোগ দিয়েছিল। সেকারণেই সব কাজ ফেলে আদালতের উদ্দেশ্যে ছুটে আছেন রাহুল গান্ধী।
অবশেষে আদালতে হাজির রাহুল, শাহের মানহানি মামলার শেষ সুযোগ হারালেন না



আলোচ্য বিষয় হলো, এই কংগ্রেস সাংসদ তথা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে একাধিক মানহানির মামলা রয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি জামিনও পেয়েছেন। উল্লেখ্য, গত বছরই মোদি পদবি মামলায় বড়সড় সমস্যায় পড়েছিলেন রাহুল। এমনকি ওই মানহানির মামলায় সাংসদ পদও খোয়াতে হয়েছিল তাঁকে।








