মানুষকে অপমান করা দুর্বলতার লক্ষণ, পরাজিত স্মৃতির পাশে রাহুল

আমেঠিতে এবার স্মৃতি ইরানি ভোট পান ৩ লাখ ৭২ হাজার। কিশোরীলাল পেয়েছেন ৫ লাখ ৩৯ হাজার। কংগ্রেস জিতেছে, ১ লাখ ৬৭ হাজার ভোটে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি কেন্দ্র থেকে হেরে গিয়েছেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি। কংগ্রেস প্রার্থী কিশোরীলাল শর্মার কাছে লক্ষাধিক ভোটে হারেন তিনি। এই হারের পর থেকেই কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের কটাক্ষ শুনতে হচ্ছে স্মৃতিকে। চলছে বেলাগাম আক্রমণও। সেই ইস্যুতেই এবার বিজেপি নেত্রীর পাশে দাঁড়ালেন কংগ্রেস সাংসদ তথা দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

স্মৃতি ইরানির কাছেই ২০১৯ সালের লোকসভায় হারেন রাহুল। এরপর কেরলের ওয়েনাড় জিতে সাংসদ হন। এবারের নির্বাচনে আর আমেঠি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি গান্ধী পরিবারের কেউই। রাহুল দাঁড়ান ওয়েনাড় ও রায়বরেলি থেকে। দুই আসনেই জয় পান। ফলে, আমেঠি থেকে কংগ্রেসের তরফে প্রার্থী করা হয় কিশোরীলাল শর্মাকে। ফলপ্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, তিনিই জিতেছেন। সেখানে নিজের জেতা আসন ধরে রাখতে পারেননি স্মৃতি।

মানুষকে অপমান করা দুর্বলতার লক্ষণ, পরাজিত স্মৃতির পাশে রাহুল

মানুষকে অপমান করা দুর্বলতার লক্ষণ, পরাজিত স্মৃতির পাশে রাহুল

স্মৃতির পাশে দাঁড়িয়ে রাহুল লিখেছেন, ‘‘জীবনে জয়-পরাজয় ঘটে। আমি সকলকে এই বিষয়ে স্মৃতি ইরানির বা অন্য কোনও নেতার প্রতি অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার না করার আহ্বান জানাই। মানুষকে অপমান করা কোনও ভাবেই শক্তি দেখানোর পর্যায়ে পড়ে না। বরং সেটা দুর্বলতার লক্ষণ।’’

এবারের নির্বাচনে গোটা উত্তরপ্রদেশের ফল খারাপ হয়েছে বিজেপির। ৮০ আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ৩৩টা। সেখানে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ পেয়েছে ৪৪ আসন। আমেঠিতে এবার স্মৃতি ইরানি ভোট পান ৩ লাখ ৭২ হাজার। কিশোরীলাল পেয়েছেন ৫ লাখ ৩৯ হাজার। কংগ্রেস জিতেছে, ১ লাখ ৬৭ হাজার ভোটে। সেখানে ২০১৯ সালে স্মৃতি ইরানি ভোট পান ৪ লাখ ৬৮ হাজার। রাহুল গান্ধী পান ৪ লাখ ১৩ হাজার। মাত্র ৫৫ হাজার ভোটে জেতে বিজেপি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত