আপার প্রাইমারি (upper primary) চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ধর্মতলায়। সোমবার বেলার দিকে ওয়াই চ্যানেলে বসার আগে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। নিয়োগের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীরা রাস্তায় বসে পড়লে, তাঁদের টেনে হিঁচড়ে পুলিশ তুলে দেয় বলে অভিযোগ।
তালিকায় বেশ কিছু রোল নম্বর আছে, কিন্তু তাঁদের নাম নেই, নম্বর আছে। সেটা হয়তো ভুল করে হয়েছে। তথ্য জোগাড় করতে পারিনি। করে দেব ঠিক। মূলত পর্ষদের হাতে সমস্ত তথ্য আসেনি। সেকারণেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। এবার হবু শিক্ষকদের তালিকায় বিরোধী দলের নেতাদের নাম জড়াতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আবার তাতে হস্তক্ষেপ করেছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু নিয়োগে অস্বচ্ছতার কারণে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। তবুও আশা বিন্দুমাত্র না ছেড়ে তিন দফায় ৬০৯ দিন ধরে আন্দোলন জারি রেখেছেন চাকরি প্রার্থীরা। এখন তাঁদের ঠিকানা ধর্মতলার গান্ধী মূর্তির পাদদেশ।
২০০৯ থেকে ২০২২ সাল অবধি অপেক্ষা। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে অপেক্ষা করছিলেন চাকরি প্রার্থীরা। হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও তাঁদের নিয়োগ নিয়ে এখনও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ডেডলাইন সোমবার সকাল ১০ টা। এর মধ্যে তালিকা প্রকাশিত না হলে বিরাট পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি হবু শিক্ষকদের।
বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্ররোচনা দিলে অনেক কিছুই হতে পারে। এরপইরেই তিনি বলেন, যদি কাউকে হঠাৎ এমনভাবে উত্তেজিত করে দেওয়া হয়, আর তিনি যদি সেই উত্তেজনা প্রশমনে কোনও কাজ করেন তাহলে তা অপরাধ নয়।বিধানসভার স্পিকারের মুখ থেকে এই কথা শুনে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।