নজরবন্দি ব্যুরোঃ আন্দোলনকারীকে পুলিশের কামড়। সেই ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে শাসক দলেরই মধ্যে দুই ধরনের মন্তব্য করতে দেখা গেল। একদিকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সৌগত রায় এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে, পুলিশের পক্ষ নিয়েই মন্তব্য করে বসলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ Lakshmir Bhandar: বিভ্রান্তি রুখতে নয়া উদ্যোগ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তথ্য সব পাবেন এখানে
শুক্রবার বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্ররোচনা দিলে অনেক কিছুই হতে পারে। এরপইরেই তিনি বলেন, যদি কাউকে হঠাৎ এমনভাবে উত্তেজিত করে দেওয়া হয়, আর তিনি যদি সেই উত্তেজনা প্রশমনে কোনও কাজ করেন তাহলে তা অপরাধ নয়।বিধানসভার স্পিকারের মুখ থেকে এই কথা শুনে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

একই ধরনের মন্তব্য করে বসেন তৃণমূল বিধায়ক অজিত মাইতি। তিনি বলেন, জোরে করে চাকরি নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশের ওপর হুজ্জুতি চলছে। কেউ যদি পুলিশকে কামড়ে দেয়, তাহলে পুলিশ কি রসোগোল্লা ছুঁড়বে?
যদিও পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তৃণমূলের একাংশ। সরব হয়েছেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় থেকে সাংসদ সৌগত রায়। মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ কামড় দিল কেন, এটাই আমার কাছে স্পষ্ট নয়। তবে যদি কামড়ে থাকে, তাহলে সেটা নিশ্চিতভাবে পুলিশের কোড অব কনডাক্টে আটকে যায়। কামড়ে দেওয়াটা পুলিশের কোনও কনডাক্টে পড়ে না।
একইসঙ্গে সরব হয়েছেন সাংসদ সৌগত রায়। তিনি বলেন, পুলিশ নিশ্চয় এ ব্যাপারে বিভাগীয় তদন্ত করছে। সংযত থাকলেও, একটা ছোট ঘটনার জন্য পুলিশ কলঙ্কিত হল। তৃণমূলের অন্দরেই দ্বিমত দেখা দেওয়ার ঘটনা দলকে বিড়ম্বনায় ফেলেছে। সরব হয়েছে বিরোধীরা।
প্ররোচনা দিলে অনেক কিছুই হতে পারে, এবার সরব স্পিকার

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, এই লেডি কনস্টেবল উত্তরবঙ্গে ছিলেন। আকাশ মাঘারিয়ে তাঁকে নিয়ে মহিলা টিম গড়েছেন। টিমটার আমি নাম দিয়েছি মমতা পুলিশের হিংসাশ্রয়ী রেজিমেন্ট। এই রেজিমেন্টে আমি আগে একজন বলেছিলাম, মারিয়া বলে, তিনি আমার কাঁধে তিনটি ব্লো মেরেছিলেন নবান্ন অভিযানের দিন। ডোন্ট টাচ মাই বডি বলতে অনেক রকম ব্য়ঙ্ক তিরস্কার করেছেন ভাইপো অ্যান্ড কোম্পানি। সেদিন তো এই দেবী তামাংকে পাঠিয়েছিলেন আমার হাত কামড়াতে। আমি হাত কামড়ানোর সুযোগ দিইনি। কারণ আমি বুঝতে পেরেছিলাম কী হচ্ছে।



