২০০৯ থেকে ২০২২। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বঞ্চনার শিকার দক্ষিণ ২৪ পরগণার টেট পাশ চাকরি প্রার্থীরা। তাঁরা চেয়েছিলেন তাঁদের বিষয়ে এবার হস্তক্ষেপ করুক আদালত অথবা সরকার। অবশেষে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষের মধ্যস্থতায় গলল বরফ। আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন হবু শিক্ষকরা।
নিয়োগে অস্বচ্ছতার কারণে বারবার বঞ্চিত হয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। তাই তিন দফায় চাকরি প্রার্থীদের ৬০০ দিন ধরে আন্দোলন। আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন এসএলএসটি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর চাকরি প্রার্থীরা। শুক্রবার তাঁদের ধর্নামঞ্চে উপস্থিত হলেন বাম নেতৃত্ব।
২০১৮ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ফুড ইন্সপেক্টর পদে ৯৫৭ জনকে নিয়োগের দাবিতে বৃহস্পতিবার ফের খাদ্য ভবনের সামনে ধর্না দেন চাকরি প্রার্থীরা। চার ঘটনা ধরে অবস্থান বিক্ষোভের পর নিউ মার্কেট থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী উপস্থিত হয়। পরে চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভ তুলে দেওয়া হয়। খাদ্য ভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
গুজরাতের নির্বাচনের মুখে বিরাট চমক বিজেপির মোহসেনা ও আনন্দ জেলায় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে ২০১৯ এর বিতর্কিত আইনের পরিবর্তে ১৯৫৫ সালের আইন অনুযায়ী সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যা নিয়ে চেন্নাই যাওয়ার আগে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গুজরাতে নির্বাচন রয়েছে বলেই সিএএ নিয়ে খেলছে, দাবি মুখ্যমন্ত্রীর।
দুর্নীতির অভিযোগে জেল হেফাজতে রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ একাধিক আধিকারিকরা। এই বিপুল নিয়োগ হয়েছে টাকার বিনিময়ে। আদালতে বারবার দাবি করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এরই মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রি ব্রাত্য বসুর। তাঁর বক্তব্য, আন্দোলন করলেই চাকরি মিলবে? এমনটা ভাবার প্রয়োজন নেই।