নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০০৯ থেকে ২০২২। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বঞ্চনার শিকার দক্ষিণ ২৪ পরগণার টেট পাশ চাকরি প্রার্থীরা। তাঁরা চেয়েছিলেন তাঁদের বিষয়ে এবার হস্তক্ষেপ করুক আদালত অথবা সরকার। অবশেষে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষের মধ্যস্থতায় গলল বরফ। আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন হবু শিক্ষকরা।


কিছুদিন আগেই চাকরি চেয়ে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন ২০০৯ সালের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার টেট পাশ চাকরি প্রার্থীরা। কিন্তু তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। তখন থেকেই ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে আন্দোলন জারি রেখেছিলেন চাকরি প্রার্থীরা। পরে ডিসি সাউথের মধ্যস্থতায় শাসক দলের প্রতিনিধি হিসাবে কুণাল ঘোষ চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

কুণাল ঘোষের সঙ্গে বৈঠকে অবশেষে গলল বরফ। তারপরেই ধর্মতলা থেকে আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চাকরি প্রার্থীরা। পরিবর্তে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ডিপিএসসি ভবনের সামনে গিয়ে ধর্না দেখাবেন তাঁরা। আদালত রায় দিলেই তাঁদের সুরাহা মিলবে। এমনটাই আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা।
কুণাল ঘোষের মধ্যস্থতায় গলল বরফ, জেলায় গিয়ে আন্দোলন করবেন চাকরি প্রার্থীরা

চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, আমরা আদালত এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছিলাম। আসলে ফুটবলের মতো হয়েছিলাম। এদিক, ওদিক ঠেলে দিতেন সকলে। জনপ্রতিনিধিদের কাছে গিয়েও সুরাহা হয়নি সমস্যার। তাঁরা আরও বলেন, গত ১৩ বছরে সোমবারই প্রথম আলোচনার সুযোগ পাই। নবান্ন অভিযানের পরিকল্পনা ছিল। ডিসি সাউথ আমাদের আলোচনার ব্যবস্থা করে দেন। তার পর কুণাল সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়। উনি জানান, আদালত রায় দিলে আর এক মুহূর্তও দেরি হবে না। সুসম্পন্ন হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া। এক বছরের কাজ এক সপ্তাহে সেরে ফেলা হবে।


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



