এই পদক্ষেপে রাজ্য সরকারের মূল লক্ষ্য হল, উত্তরবঙ্গে দ্রুত এবং কার্যকরীভাবে বন্যা মোকাবিলা করা, যাতে স্থানীয় জনগণের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
এই কমিটির গঠন বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পর। সেখানে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ উঠেছিল, যা নিয়ে আন্দোলনে নামেন রাজ্যের জুনিয়র ডাক্তাররা।
গ্রামটিতে মূলত রয়েছে রানী ভবানীর প্রাসাদ এবং বড়নগর টেরাকোটা মন্দির কমপ্লেক্স। অষ্টাদশ শতাব্দীতে রাণী ভবানী বেশ কয়েকটি মন্দির তৈরি করেছিলেন এখানে। সেই সময় বড়নগর পরিচিত ছিল 'বাংলার বারাণসী' নামে।
বুধবার সন্ধ্যে সাড়ে ৬টা নাগাদ নবান্ন সভাগৃহে ফের একবার রাজ্য ও জুনিয়র চিকিৎসকদের মধ্যে একটি বৈঠক হতে চলেছে। কিন্তু এই বৈঠকে থাকবেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ পশ্চিম মেদিনীপুরে গিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, রাতে ওই জেলাতেই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী।
মোট পাঁচ দফা দাবি নিয়ে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে একটি বৈঠক করেন আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রায় তিন ঘন্টার কাছাকাছি চলে মেগা বৈঠক। এই বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকদের সিংহভাগ দাবিই মেনে নেয় রাজ্য সরকার।
জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি মেনে নিয়ে রাজ্য প্রশাসনে বিরাট রদবদল। সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে। কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার হলেন মনোজ ভার্মা। অন্যদিকে, ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্তাকেও সরিয়ে দেওয়া হল। সেই জায়গায় এলেন পশ্চিম শিলিগুড়ির ডিসি দীপক সরকার।
গত বৃহস্পতিবার জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বৈঠক হবার সম্ভাবনা ছিল। নবান্নে পৌঁছেও গিয়েছিলেন আন্দোলনরত চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা। কিন্তু একটি শর্ত নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ চলার পর অবশেষে বৈঠক ভেস্তে যায়।