আগেই জানানো হয়েছিল এই বৈঠকের ভিডিও রেকর্ড করা হবে। সেই কারণে সভাকক্ষের ভেতর বসানো হয়েছিল ক্যামেরা। আর সেই ভিডিও রেকর্ড তুলে দেওয়া হতো চিকিৎসকদের হাতে। কিন্তু মামলা যেহেতু বিচারাধীন তাই সরাসরি সম্প্রচার সম্ভব নয়।
বৈঠক থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতেই জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিনিধি দলের সাথে দফায় দফায় কথা বলে ডিজি সাউথ বেঙ্গল। পাশাপাশি কথা বলেন মুখ্যসচিব। কিন্তু আন্দোলনকারীর প্রতিনিধিরা তাদের সিদ্ধান্তেই অনড়।
আন্দোলনরত চিকিৎসকদের প্রতিনিধি অনিকেত মাহাতো বলেন, “প্রত্যেকের নিজস্ব একটা রাজনীতি রয়েছে। কিন্তু এই আন্দোলন সম্পূর্ণভাবে অরাজনৈতিক। কোনও রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে আমরা সাহায্য নেইনি। কিন্তু এটা তো শুধুমাত্র আমরা কয়েকজন গিয়ে সমঝোতা করলে হবে না। মোট ২৬টা সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। প্রত্যেক হাসপাতালের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেবেন সেটাই স্বাভাবিক। আমরা সমঝোতা নয়, সমাধান চাই।”
যে ডাক্তার বন্ধুরা এখানে অপেক্ষা করে আছেন। যে সিনিয়র ডাক্তাররা এই আন্দোলনে প্রথম্থেকে সমর্থন করছেন তাদের সাথে আলোচনা করে আমরা আমাদের কর্মবিরতি ও অবস্থান বিক্ষোভ সম্পর্কে পরবর্তী পদক্ষেপ জানাব।
"আমাদের এই মিছিল একেবারে শান্তিপূর্ণ ছিল পুলিশ উত্তপ্ত হতে বাধ্য করল। আজ পুলিশ গুলি করলে করুক। গুলি করলেও পিছু হাঁটবো না। " পাশাপাশি তাদের একটাই দাবি, 'মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ'।
তাতে যোগ দেয়ার জন্য শুরু হয়েছে জমায়েত। জাতীয় পতাকা নিয়ে এই মিছিলে জমায়েত করেছে ছাত্র সমাজ। আর তাই কলেজ স্ট্রিটেও মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।