নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি পাহাড় গড়েছে। এমত অবস্থায় দ্রুত নিয়োগের দাবি ধর্মতলায় লাগাতার ধর্না দিয়ে চলেছেন চাকরি প্রার্থীরা। আবার দুর্নীতির অভিযোগে জেল হেফাজতে রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ একাধিক আধিকারিকরা। এই বিপুল নিয়োগ হয়েছে টাকার বিনিময়ে। আদালতে বারবার দাবি করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এরই মধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য শিক্ষামন্ত্রি ব্রাত্য বসুর। তাঁর বক্তব্য, আন্দোলন করলেই চাকরি মিলবে? এমনটা ভাবার প্রয়োজন নেই।
আরও পড়ুনঃ Partha Chaterjee: দুর্নীতিতে পার্থর মুখ্য ভূমিকা রয়েছে, জামিনের বিরোধিতা সিবিআইয়ের


এদিন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আদালত যেভাবে বলবে, সেভাবে আমরা নিয়োগ করব। কিন্তু আমাদের নতুন নিয়োগও তো করতে হবে। অতীতের দিকে তাকিয়ে যদি কোন ভুল হয়ে থাকে, তাঁর জন্য যদি সামনের কর্মপ্রক্রিয়া ব্যহত করে তাহলে নতুন প্রজন্মের কাছে আমরা কী উত্তর দেবো? আমার মনে হয় বিরোধী দলের এখন সেটা দেখার সময় এসে গেছে। এভাবে যদি পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ব্যহত করতে থাকে, তাহলে সমাজে কী বার্তা যাচ্ছে? এর ফলে সমাজে নেগেটিভির জন্ম হয়।

তিনি আরও বলেন, এটা তো হতে পারে না আন্দোলন করলেই সবাইকে চাকরি দিতে হবে। আন্দোলনের সঙ্গে চাকরির সম্পর্ক কী? চাকরি তো যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে! চাকরি তো মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। স্কুল সার্ভি কমিশন, কলেজ সার্ভিস কমিশন, নেট, অনেকেই নেট পাশ করেন। যারা নেট বা সেট পাশ করেন, তাঁরা সকলেই চাকরি পান? জয়েন্টের র্যাঙ্ক যারা করেন সকলেই ডাক্তারিতে চান্স কী পান? সবাই কী ইঞ্জিনিয়রিংয়ে চান্স পান?
আন্দোলন করলেই চাকরি মিলবে? পার্থর প্রশ্ন ঘিরে চাঞ্চল্য

পাল্টা সিপি(আই)এমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, চাকরি লুঠ হয়েছে। কখনও টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আবার কখনও টাকা দিয়েও চাকরি দেওয়া হয়নি। আর যারা দোষী তাঁরা বহাল তবিয়তে রয়েছেন। ব্রাত্য বসু অসভ্যের মতো কথা বলছেন। পরীক্ষায় পাশ করলেই চাকরি দিতে হবে? একঠা বলছেন ব্রাত্য বসু। যিনি এখন শিক্ষামন্ত্রী। উনি মন্ত্রীপদে থাকাকালীন প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে চাকরি লুঠ হয়েছে। কিন্তু উনি কিছু করেননি।









