শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল অবধি বিরাট মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। মিছিলে উপস্থিত হয়েছে বুদ্ধিজীবী এবং নাগরিক সমাজ। চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এদিন মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। মহামিছিলে চাকরি প্রার্থীদের মহাজোট, শিয়ালদহ থেকে এই মিছিল থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে চান আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীরা।
আট দিনের মাথায় পড়ল মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের অনশন। কিন্তু এখনও জট কাটছে না। উল্টে ছাত্রদের সমর্থনে অভিভাবকরাও প্রতীকী অনশনে শামিল হচ্ছেন। শনিবারের মধ্যে জট না খুললে মেডিকেল কলেজে নাগরিক কনভেনশন হবে। তবে বৃহস্পতিবার ট্রপিক্যাল মেডিসিনে হাজির হচ্ছেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম সহ স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ নেতৃত্ব।
চাকরি নিশ্চিতের স্বপ্ন নিয়ে বহু চাকরি প্রার্থী এদিন পরীক্ষা দিতে এসেছেন। অন্যদিকে, এখনও অবধি স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে এখনও রাস্তায় পড়ে রয়েছেন ২০১৪ সালের টেট পাশ চাকরি প্রার্থীরা। তাঁদের কথায়, এটা প্রহসন মাত্র। আজ যারা পরীক্ষা দিলেন তাঁদের আমাদের পাশে এসে বসতে হবে না তো? আমাদের নিয়োগ নিয়ে কী ভাবছে সরকার? প্রশ্ন তুলছেন আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীরা।
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একের পর এক সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলে দিয়েছে। চাকরি প্রার্থীদের কাছে তিনি এখন মাসিহা। সেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্য চাকরি প্রার্থীদের কাছে ভোকাল টনিকের কাজ করল। বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা, মামলা চালিয়ে যাও, হাল ছেড়ো না।
মমতাকে শূর্পণখা বললে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দুর্যোধন-দুঃশাসন বলব। মালদহের মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব আনল বিজেপি। কিন্তু বিজেপির আনা প্রস্তাব খারিজ করে দিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ও বিজেপির বাকযুদ্ধের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। পরে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল।
সোমবারের পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই বরানগরে প্রতিবন্ধী ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য। পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পড়ুয়ারা।পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলেও শুরু হয়। এই ঘটনা নিয়ে কোনও বক্তব্য মেলেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ওই ছাত্রের কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? তা না দেখে মুখ খুলতে নারাজ।
এদিন আদালতের কাছে আন্দোলনকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকা অভাবনীয়। পুলিশ অনেক আগেই ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু ছেড়েনি। ডিএ আন্দোলনকারীরা কি বোমা ছুড়েছে? নাকি অন্য কিছু করেছে? কলকাতায় ১৪৪ ধারা হামেশাই ভাঙে। কী দোষ এদের? হেফাজতে রাখার কী যুক্তি? ডিএ না দেওয়া হোক, অন্তত জামিন দেওয়া হোক।