নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতাকে শূর্পণখা বললে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দুর্যোধন-দুঃশাসন বলব। মালদহের মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিধানসভায় মুলতুবি প্রস্তাব আনল বিজেপি। কিন্তু বিজেপির আনা প্রস্তাব খারিজ করে দিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ও বিজেপির বাকযুদ্ধের জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। পরে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল।
আরও পড়ুনঃ TMC-BJP: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়ক, নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা


যদিও এদিন অধিবেশন কক্ষ থেকেই বিতর্কের সুচনা হয়। এদিন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করে দিতেই সরব হন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর প্রশ্ন, দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অপমান রাজ্যের বিষয় নয় কেন? ঘটনাকে ঘিরে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। শশী পাঁজা, বীরবাহা হাঁসদা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের সঙ্গে বিতণ্ডা বাধে বিজেপি বিধায়কদের।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামতে হয় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁর কথায়, এটা বিধানসভার বিষয় নয়। তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের কথায়, সংস্কৃতিকে মাথায় রেখে বলেছি। বিরোধী দলনেতা আমাকে ভুল উদ্ধৃত করে টুইট করেছেন।আমি বলিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে গুজরাতিদের ভুমিকা ছিল না।
এরপরেই স্লগান তুলে বিধানসভা ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। এমনকি বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রকে সাসপেণ্ডের দাবি জানান তাঁরা। এখানেই শেষ নয়। এর আগে অবশ্য সাবিত্রী মিত্রকে গ্রেফতারির দাবিতে সরব হন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল।


প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দুর্যোধন-দুঃশাসন বলব, বিধায়কের মন্তব্যে উত্তাল বিধানসভা

কিছুদিন আগেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করে বসেন রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরি। যা নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠতে শুরু করেছিল। এই ইদ্যুতে বিধানসভায় ওয়াকআউট এবং কলকাতায় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতৃত্ব। এবার প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে আরও এক তৃণমূল বিধায়কের বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘির রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়েছে।







