পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বিজেপির পালে হাওয়া লাগাতে কলকাতায় উপস্থিত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণবঙ্গে প্রচারের কথা রয়েছে তাঁর। তার আগে কলকাতায় এলেন মহাগুরু। আগামী পাঁচ দিন ধরে করবেন প্রচার।
এখনও অবধি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তবে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। সেইমতো প্রচার শুরু করেছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। তেমনি শাসক দলকে চাপে ফেলতে চলেছে বিরোধী পক্ষ বিজেপি। তাই পঞ্চায়েতে ট্রাম্পকার্ড মিঠুন, তৃণমূলকে টক্কর দিতে এবার মাঠে নামছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে গেরুয়া শিবিরের প্রচারে ঝড় তুলবেন তিনি।
তার আরো বক্তব্য আমি যখন আমার ছবির ডায়লগ বলেছিলাম, যা আমার রুটি রুজির কামাই, তা নিয়ে আমার বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ তুলে কাঠগড়ায় দাড় করানো হয়েছিল, তাহলে এখন বঙ্গে এসব যা ডায়লগ চলছে সেগুলি নিশ্চই পুষ্প বৃষ্টি চলছে এই প্রশ্নই তিনি প্রেস মিটে ছুড়ে দেন।
মিঠুন চক্রবর্তীর বালুরঘাট সফরের আগে বেড়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ। মহাগুরুর মহাসফরের আগে উত্তপ্ত বালুরঘাট। মিঠুন চক্রবর্তীর বালুরঘাটের সার্কিট হাউজে থাকার অনুমতি মেলেনি। অন্যদিকে, সকালে বালুরঘাটের শহরে বিজেপির একাধিক পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সুকান্ত মজুমদার।
জুলাই মাসে কলকাতা সফরে এসে বোমা ফটিয়েছিলেন বিজেপি নেতা ও অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। শনিবার আরও একবার বোমা ফাটালেন মহাগুরু। নিজের পুরাতন মন্তব্যে অনড় থেকেই জানালেন ব্যাক আপ ছাড়া কথা বলি না। ২১ এর সংখ্যা আগের থেকে বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিলেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে বিজেপি নেতৃত্ব মালদার গোল্ডেন পার্ক হোটেলে তাঁর থাকার ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সব মিলিয়ে মহাগুরুর পুজো সফর নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে বিজেপি ও শাসক দলের মধ্যে।
কলকাতায় এসে তিনি দাবি করেন, শাসক দলের প্রায় ৩০ জন বিধায়ক যোগ রেখেছেন। তাঁরা দলবদলের জন্য পা বাড়িয়ে রেখেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এরপর শাসক দলের একাধিক নেতাদের নাম দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে। তাই শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে প্রচারে নামতে চলেছে বিজেপি। সেখানে সেমিফাইনালে বিজেপির ট্রাম্প কার্ড মহাগুরু।