পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ৫ দিনের জেলা সফরে বেরিয়েছেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আসানসোলে বিজেপির পার্টি অফিসে জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক সারেন তিনি। এরপরেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিশেষ ঘোষণা করে বসলেন বিজেপি নেতা। এদিনের সভা থেকে মহাজোটের ডাক দিলেন মিঠুন।
বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমানের পাশাপাশি বীরভূমেও জনসংযোগ সারবেন তিনি। আগামী নির্বাচনের জন্য এটা গেরুয়া শিবিরকে আলাদা মাইলেজ দেবে। জেল থেকেই এই আন্দাজ করতে পেরেছেন কেষ্ট। তাই বিজেপির পাল্টা তৃণমূলের সভা করার নির্দেশ দিলেন জেলা সভাপতি। সাফ জানিয়ে দিলেন, মহাগুরুর পাল্টা সভা চাই বীরভূমে।
বছর ঘুরতেই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট। তার আগেই বিজেপির পক্ষ থেকে ময়দানে নামানো হয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীকে। ভোট প্রচারে এসে তিনি বারবার রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন। তবে তারই মাঝে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের ১০জন রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিজেপি এলেই ফিরবে রাজ্যের হাল। সঙ্গে মিঠুন পুরুলিয়াবাসীর মনে উস্কে দিলেন, রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতার করা আদিবাসী বিতর্ক। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মিঠুনের মুখে শোনা গেল রাজনৈতিক খোঁচা। “পুরুলিয়ায় অনেক আদিবাসী আছে। আমাদের প্রধান নাগররিককে যে ভাষায় অপমান করেছে, পুরুলিয়াবাসী যেন এই অপমান না ভোলে”।
মিঠুন চক্রবর্তীর সফরসঙ্গী হওয়ার কথা ছিল রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। কিন্তু মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে সফর বাতিল করলেন বিজেপি সভাপতি। বরং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে রাজভবনে যাবেন তিনি। মহাগুরুর যাত্রায় সঙ্গী বদল, তবে কী শুভেন্দু এবং সুকান্তর মধ্যে যে ফাটল নিয়ে যে জল্পনা শুরু হয়েছিল, সেই ক্ষতে প্রলেপ দিতেই এই পদক্ষেপ?