নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরুলিয়ার রাঙ্গা মাটিতে গিয়ে বিজেপির জনদরদী নেতা হয়ে উঠলেন মিঠুন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে জনসংযোগ বাড়াতে মিঠুন চক্রবর্তীকে মাঠে নামিয়েছে বিজেপি। মহাগুরুর খেল দেখতেই জনসভায় হাজির হাজারও দর্শক। তবে মিঠুনের মুখে আজ নেই রং চং- এ ডায়লগ। একেবারে জনতার দরবারে মিশে তাঁদের মুখ থেকে শুনে নিলেন সমস্যার কথা। আবদার করে বললেন, বিজেপি এলেই ফিরবে রাজ্যের হাল। সঙ্গে পুরুলিয়াবাসীর মনে উস্কে দিলেন, রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতার করা আদিবাসী বিতর্ক।
আরও পড়ুনঃ বকেয়া ডিএর দাবিতে উত্তাল রাজপথ, বিধানসভার সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি


মিঠুন চক্রবর্তীর জনসভা মানেই যেন সিনেমার মঞ্চ। জাত গোখরো থেকে কিং কোবরা তাঁর এক একটি ডায়লগ যেন এক একটি বোমা। তবে রাঙ্গামাটিতে নেমে অনেক শান্ত মিঠুন। এদিন তিনি বলেন, “আজ আমি কোনও ডায়ালগ দিতে আসিনি, আপনাদের কথা শুনতে এসেছি। আপনাদের যা জিজ্ঞাসা করার আছে, করুন। যার যা মনের দুঃখ-কষ্ট আছে, বলবেন।” তাঁর মুখে শোনা গেল দুর্নীতির রাম-শ্যাম তত্ত্ব। জনতার দরবারে গিয়ে শুনলেন সমস্যা, দিলেন সমাধানের নিদান। কেন্দ্রের টাকা নিয়ে আর্থিক তছ্রূপ করছে রাজ্য এমন কথাই শোনা গেল মিঠুনের কণ্ঠে।

আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মিঠুনের মুখে শোনা গেল রাজনৈতিক খোঁচা। মিঠুন বলেন, “পুরুলিয়ায় অনেক আদিবাসী আছে। আমাদের প্রধান নাগররিককে যে ভাষায় অপমান করেছে, পুরুলিয়াবাসী যেন এই অপমান না ভোলে”। অখিল গিরির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করার প্রসঙ্গ টেনে আদিবাসী ভাবাবেগ কে উসকে দিলেন মহাগুরু।
আদিবাসীদের অপমানের জবাব দিতে তৈরি থাকুন, পুরুলিয়া থেকে হুংকার মহাগুরুর



জনসভায় উপস্হিত হয়ে মিঠুন বলেন, ‘ রামের টাকা শ্যামের নামে , শ্যামের টাকা রামের নামে চালাচ্ছে তৃনমূল’। তিনি আরও বলেন, একই ব্যাক্তিকে একাধিকবার টাকা দেওয়া। হিসাবে গরমিল করা এবং কেন্দ্রের প্রকল্পকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের নামে চালাচ্ছেন, তাই কেন্দ্র টাকা বন্ধ করেছে। হিসাব দিলেই টাকা আসবে বলে দাবি করেন মিঠুন। আবাস যোজনা, সড়ক যোজনা সব যে কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প তা আরও একবার খোলসা করে দিতে দেখা গেল মহাগুরুকে। তিনি বলেন, “প্রধান মন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা সবাই পাবেন। আগে হিসাব দিন।সরকারের পয়সা, পাবলিকের পয়সা হিসাব কই? রামের নামে অ্যাকাউন্ট, শ্যামের নামে কী করে টাকা যাবে?”







