নজরবন্দি ব্যুরোঃ বছর ঘুরতেই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট। তার আগেই বিজেপির পক্ষ থেকে ময়দানে নামানো হয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীকে। ভোট প্রচারে এসে তিনি বারবার রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছেন। তবে তারই মাঝে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেশের ১০জন রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই সব মন্তব্য তিনি করেছেন একটি সংবাদমাধ্যমে। আর তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।
আরও পড়ুনঃ অনুব্রতর দিল্লি যাত্রার ভবিষ্যৎ কী? আজ নজর দিল্লি হাইকোর্টে


বৃহস্পতিবার মিঠুন এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘দেশের সেরা দশজন রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চার–পাঁচটা এমন মাস্টারস্ট্রোক মেরেছেন, যেগুলি বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম, কেউই বুঝতেই পারেনি। অভিষেকও খুব ভাল বক্তা। দারুন বক্তব্য রাখেন। শ্রোতাদের আটকে রাখতে পারেন।’ আর এরপরই শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা।

মিঠুন এরআগে বহুবার আক্রমণ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমোকে। তিনি পুরুরিয়া সফরে গিয়েও বলেন, “ঘরে ঘরে পোস্টারে বাংলার আবাস যোজনা করে দিয়েছে। যে টাকা পাঠাবে কাকে পাঠাবে? আমি বলছি, সেন্ট্রাল বলছে আগে হিসেব দিন। উঁনি বলছেন আমাদের পয়সা দিচ্ছে না, আমি কী করে দেব।” এরপর তিনি আরও এক উদাহরণ দিয়ে বলেন, “আপনি ধরুন রামকে টাকা দিয়ে বাজারে পাঠালেন। রাম ফিরে এলে তার থেকে হিসেব চাইবেন না? যা পয়সা দিলেন তার তো হিসেব থাকে। যদি বলেন ওটা তো শ্যাম দেখে শ্যামকে দিয়ে দিন। আপনি কি শ্যামকে দেবেন? দেবেন না। রামের টাকা রামকেই দেবেন।”
‘মমতার মাস্টারস্ট্রোক কোন দলই বুঝতে পারেনি’, দাবি মিঠুনের
উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির মূল অস্ত্রই হল ‘বাঙালি বাবু’ ! লক্ষ্য ব্লকস্তরে সংগঠনকে মজবুত করা। সেই লক্ষ্যেই দু’মাসের মধ্যে ফের রাজ্যে এলেন মিঠুন চক্রবর্তী। ৫ দিনে ৫ জেলায় ঘুরবেন তিনি। করবেন সাংগঠনিক সভা। মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গী বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঠিক পুজোর মুখে কলকাতায় এসেছিলেন মহাগুরু।









