নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় ১১ অগাস্ট বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তারপর থেকেই অনুব্রত মণ্ডলের ঠিকানা আসানসোলের সংশোধনাগার। সম্প্রতি সেই মামলাতেই অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এবার তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু তা আটকাতে এবার দিল্লি হাইকোর্টে উপস্থিত হয়েছেন তৃণমূল নেতা। গরু পাচার মামলায় অনুব্রতর দিল্লি যাত্রার ভবিষ্যৎ কী? তা ঠিক হবে হাইকোর্টেই।
আরও পড়ুনঃ কাতার বিশ্বকাপে অনিশ্চিত নেইমার, ‘এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়’ বলছেন চিকিৎসক!


এই মুহুর্তে গরু পচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হক তিহাড় জেলে বন্দি। একই জেলে বন্দী রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। এরপর কী অনুব্রত মণ্ডলের ঠিকানা হবে তিহার জেল? সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যেতে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। সেকারণেই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে ইডি উপস্থিত হয়। কিন্তু তার আগে দিল্লি হাইকোর্টে উপস্থিত হন তৃণমূলের জেলা সভাপতি।

যদিও এর আগে গরু পাচার মামলায় আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্নের উত্তর জানতে দিল্লির সদর দফতরে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অনুব্রত মণ্ডলের হিসেবরক্ষক মনীশ কোঠারিকে। সেই তালিকায় ছিল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তিদের নাম। আজ অনুব্রত মণ্ডলের জন্য বাড়তি চাপ রয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
অনুব্রতর দিল্লি যাত্রার ভবিষ্যৎ কী? তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল

অন্যদিকে, অনুব্রত মণ্ডলের জেতা ৫ টি লটারির টাকার লেনদেন এখন তদন্তকারী সংস্থার নজরে। গত কয়েকদইন ধরে বীরভূম জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ভয় দেখিয়ে কম টাকায় টিকিট কিনেছিলেন অনুব্রত। এমনটাও বারবার তদন্তকারী সংস্থার নজরে এসেছে। এটা কী কালো টাকা সাদা করার কোনও উপায়? খুঁজে বেড়াচ্ছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।









