ভবানীপুরে নজিরবিহীন ফল—রাজ্যের সবথেকে হাই-প্রোফাইল লড়াইয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে জয়ী হলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় ১৫,১০৫ ভোটের ব্যবধানে এই জয় শুধু একটি আসনের ফল নয়, বরং রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ভোটগণনার শুরু থেকেই টানটান উত্তেজনা ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। প্রথম দিকের রাউন্ডে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হলেও ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়াতে থাকেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধানই নির্ণায়ক হয়ে ওঠে।


জয়ের সার্টিফিকেট হাতে মুসলিম ভোটারদের তীব্র কটাক্ষ, ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে জয়ী হলেন শুভেন্দু

এই ফলাফল রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভবানীপুর দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। সেই কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় রাজ্য রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
জয়ী হয়ে সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই জয় তিনি উৎসর্গ করছেন হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাস-সহ সেই সমস্ত মানুষদের, যাঁরা তাঁর কথায় ‘হিন্দু হওয়ার কারণে প্রাণ দিয়েছেন’। তিনি আরও দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যালঘু ভোটে ব্যাপক সমর্থন পেলেও তিনি নিজে হিন্দু, জৈন, শিখ ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ভোটে জয়ী হয়েছেন। সকল সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁদের প্রণাম জানান তিনি।


ফলাফল সামনে আসতেই দুই শিবিরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে—একদিকে উচ্ছ্বাস, অন্যদিকে আত্মসমীক্ষার সুর। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ফল ভবিষ্যতের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।







