চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসছেন অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার সড়কপথেই তিনি কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। সঙ্গে রয়েছেন মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। পুলিশের পাইলট কারেই কলকাতা আসছেন তিনি। এদিন কলকাতায় আসার পথে শক্তিগড়ে সন্ধ্যেবেলা দাঁড়াল অনুব্রত মণ্ডলের গাড়ি। আগের সময় হলে এখান থেকে ল্যাংচা খাওয়া ছিল মাস্ট!
জেল থেকে বেরোনোর পর থেকেই অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন মেয়ে সুকন্যা। এদিন কঙ্কালীতলা মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময়ও তিনি বাবার পাশে উপস্থিত ছিলেন। পুজো দিয়ে বেরিয়ে অনুব্রত জানান, তাঁর শরীর বিশেষ ভালো নেই। বিশেষ করে পায়ের একটি সমস্যা তাঁকে ভোগাচ্ছে।
তিহাড় জেল থেকে অনুব্রত মণ্ডলের ফেরা ইস্তক বীরভূমে তৃণমূলের অন্দরে চাপানউতর শুরু হয়েছে। ইঙ্গিত মিলেছে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের মধ্যে দ্বন্দ্বের। এমন পরিস্থিতিতে...
দীর্ঘ দু’বছর পর বাড়ি ফিরে মঙ্গলবার কার্যত আবেগে ভেসে যান অনুব্রত। সর্বক্ষণ তাঁর পাশে ছিলেন মেয়ে সুকন্যা মন্ডল। অনুব্রত নিজে কেঁদে দেন, কাঁদান তৃণমূল কর্মীদের। একবার দরজার বাইরে হাত নাড়েন। একেবারে বেছে বেছে কয়েকজন নেতার সঙ্গে দেখা করলেন তিনি।
বুধবার ফের একবার সাজো সাজো রব তৃণমূল কার্যালয়ে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হল জেলা কোর কমিটির একাধিক তৃণমূল নেতার ছবি। অনুব্রত জেলে যাবার পর যে কমিটি তৈরি করে দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
প্রশাসনিক বৈঠকে বীরভূমে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন তিনি। সেই মঞ্চ থেকেও একবারের জন্য মুখে আনলেন না কেষ্টর নাম। এমনকি যে সম্ভাবনা নিয়ে সারাদিন চর্চা হচ্ছিল, আজ অনুব্রতর সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ হতে পারে। সেটাও কিন্তু বাস্তবায়িত হল না।