একসময় দেব এবং মিঠুনের একাধিক ছবিতে শিশু শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন অরিত্র। বাংলার দর্শকমহলে তাকে 'পাকা ছেলে' মানেই সবাই চেনেন। আর এবার সেই শিশুশিল্পীই ধুয়ে দিলেন টলি পাড়ার দুই সুপারস্টার অভিনেতাকে। শুধু দেব বা মিঠুন নয়, অরিত্র আসলে তার বক্তব্যের মাধ্যমে বিঁধেছেন তাবড় তাবড় টলিউড তারকাদের যারা রাজনীতিতে ভিড়েছেন।
দেব নয়, মিঠুন চক্রবর্তীর অভিনয়ের জন্য ফ্লপ হচ্ছে প্রজাপতি। বরং পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মিঠুন চক্রবর্তীকে দশ গোল দিয়েছে। একথা বলে দলের অন্দরেই দ্বন্দ্ব বাড়িয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। পাল্টা মন্তব্য করে দলের নেতার বিপক্ষেই সুর চড়িয়েছিলেন অভিনেতা দেব। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও একটি নাম। তৃণমূলের যুব সভাপতি সায়নী ঘোষ। মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা নেই।
গেরুয়া আর সবুজ রাজনীতির দুই মেরুকে মিলিয়ে দেবে প্রজাপতি, এটাই ছিল আশা। কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওয়া গেল না। নন্দনে দেব ও মিঠুন অভিনীত প্রজাপতি মুক্তি পেল না। আর তাই নিয়ে দেবের একটা ছোট্ট ট্যুইট সরগরম করে রাখল রাজ্য রাজনীতি থেকে বিনোদন দুনিয়া।
দেবশ্রী ছারাও মহাগুরুর পাশে খুব সম্প্রতি দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের আরেক বিধায়ক অভিনেতা চিরঞ্জিৎ। তিনি বলেছিলেন, ‘রাজনৈতিক কারণেই হয়তো রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির অন্যতম সদস্য মিঠুনকে চলচ্চিত্র উৎসবে ডাকা হয়নি।
পাঁচ দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাজুড়ে প্রচার সারছেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মহাগুরুর শেষ দিনের প্রচারে রাজনৈতিক মহলের বিশেষ নজর বীরভূম জেলায়। তাঁর সফরসঙ্গী হচ্ছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জেলবন্দী কেষ্টর ওপর তৃণমূল ভরসা রাখলেও এত সহজে জমি ছাড়তে নারাজ গেরুয়া শিবির। কেষ্টর গড়ে প্রচারে ফাটাকেষ্ট, কী বার্তা দেবেন তিনি? তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।