নজরবন্দি ব্যুরোঃ জেলবন্দী রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। এটাই বিরোধী পক্ষ বিজেপির জন্য বড় অস্ত্র হতে পারত। কিন্তু যেভাবে গোষ্ঠী কোন্দলে জেরবার হয়েছে বিজেপি, তাতে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছিল বিজেপির লড়াই নিয়ে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে মহাগুরুর সফরের আগেই তার আন্দাজ পেল গেরুয়া শিবির। কেষ্টর গড়ে প্রথম অনুষ্ঠানে গরহাজির ‘ফাটাকেষ্ট’। সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে দেখা গেল না বিজেপি নেতাকে। তবে কী কেষ্টভূম থেকে সরে দাঁড়ালেন মহাগুরু?



রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বীরভূমে না থাকলেও জেলার সংগঠনের ওপর নজর রেখেছেন কেষ্ট। ভরা এজলাস থেকে দলীয় কর্মীদের কর্মসূচি বাতলে দিচ্ছেন তিনি। আবার কখনও বিশেষ কর্মসূচির ঘোষণাও করছেন। অনুব্রতর নির্দেশ মেনে মিঠুনের পরেই বীরভূমে বিরাট সমাবেশ করবেন তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, অনুব্রত না থাকলেও বীরভূমে সংগঠন সাজানো রয়েছে তাঁর। সাজানো সংগঠনের ওপর বাড়তি নজরদারি রেখেছে রাজ্য নেতৃত্ব। কোনও ভুল করতে চায় না ঘাসফুল শিবির।

অন্যদিকে, বিজেপির মধ্যে ক্রমশ গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। গোঁসা করে বসে রয়েছেন দুধকুমার মণ্ডল এবং তাঁর অনুজরা। যেটা বিজেপির কাছে সবচেয়ে অস্বস্তির কারণ। অন্যদিকে, অনুপম হাজরাদের মতো নেতারা জেলায় সক্রিয় নয়। যেটা শত অভিযোগের মধ্যেও তৃণমূলের কাজকে সহজ করে দিয়েছে।
কেষ্টর গড়ে প্রথম অনুষ্ঠানে গরহাজির ‘ফাটাকেষ্ট’, কেষ্টর ক্যারিশ্মা!

উল্টোদিকে, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানের পর আজ বীরভূম জেলায় প্রচারে নামতে চেয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। মূলত বুথস্তরের সংগঠনকে চাঙ্গা করাই প্রধান লক্ষ্য। তাই মিঠুন চক্রবর্তীকে ব্যবহার করে প্রচারে ঝড় তুলতে চেয়েছিল বিজেপি। মিঠুনের উপস্থিতি বীরভূমের কর্মীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেই মনে করেছিলেন সুকান্ত মজুমদাররা। কিন্তু রবিবার বেলা ১২ টা বেজে যাওয়ার পরেও বোলপুরের কাছারিপট্টির বেসরকারি লজে এলেন না তিনি। এক ঝাঁক কর্মী ও সমর্থকরা মহাগুরুকে এক ঝলক উদগ্রীব হয়ে থাকলেও দেখা মিলল না।










