চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসছেন অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার সড়কপথেই তিনি কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। সঙ্গে রয়েছেন মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। পুলিশের পাইলট কারেই কলকাতা আসছেন তিনি। এদিন কলকাতায় আসার পথে শক্তিগড়ে সন্ধ্যেবেলা দাঁড়াল অনুব্রত মণ্ডলের গাড়ি। আগের সময় হলে এখান থেকে ল্যাংচা খাওয়া ছিল মাস্ট!
বুধবার ফের একবার সাজো সাজো রব তৃণমূল কার্যালয়ে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সরিয়ে দেওয়া হল জেলা কোর কমিটির একাধিক তৃণমূল নেতার ছবি। অনুব্রত জেলে যাবার পর যে কমিটি তৈরি করে দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।
প্রশাসনিক বৈঠকে বীরভূমে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন তিনি। সেই মঞ্চ থেকেও একবারের জন্য মুখে আনলেন না কেষ্টর নাম। এমনকি যে সম্ভাবনা নিয়ে সারাদিন চর্চা হচ্ছিল, আজ অনুব্রতর সঙ্গে মমতার সাক্ষাৎ হতে পারে। সেটাও কিন্তু বাস্তবায়িত হল না।
গরু পাচার মামলায় ২০২২ সালের ১১ অগস্ট বোলপুরের বাড়ি থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। এরপরেই মমতা সাফ বলেন, কেষ্টকে বীরের সম্মান দিয়ে ফিরিয়ে আনব। আর আজ কার্যত তাই হতে চলেছে। প্রথমে খবর ছিল, প্রশাসনিক বৈঠকেই অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে দেখা হবে তৃণমূলনেত্রীর। কিন্তু, জানা গিয়েছে, প্রশাসনিক বৈঠকের পর সরকারি গেস্ট হাউস ‘রাঙাবিতান’-এ অনুব্রত যাবেন মমতার সঙ্গে দেখা করতে।
শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ এও মনে করছেন, মিল্টন রশিদ তিন বারের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়কে হারিয়ে পর্যন্ত দিতে পারেন! যার নেপথ্যে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কেন মিল্টন এবারের লোকসভায় বীরভূমের গেম চেঞ্জার?
এদিন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের সমর্থনে রামপুরহাটের বিনোদপুর মাঠে জনসভা করার কথা ছিল অভিষেকের। এরপর বর্ধমান পূর্বের শর্মিলা সরকারের সমর্থনেও রামপুরহাটের বিনোদপুর মাঠে সভা করার কথা ছিল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ডের।