মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পৌষ মেলার উদ্বোধন করবেন। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নজরদারি চালানো হচ্ছে। পুলিশের তরফে গাইড ম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেন, 'তৃণমূল নেতারা কী নাপিত হয়ে গেল নাকি। যাতে বিজেপি কর্মীদের মাথা ন্যাড়া করতে বলছেন।' এছাড়া এই সমস্ত নেতাদের গুরুত্ব দিতেও নারাজ তিনি।
ময়ূরেশ্বর-১ ব্লকের ডাবুক পঞ্চায়েতের হাজিপুর ভোটের আগের দিন থেকেই উত্তপ্ত। অভিযোগ ছিল, শুক্রবার তৃণমূল প্রার্থীকে লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়েছে সিপিএম। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তৃণমূল প্রার্থী আপেল হক। এবার ময়ূরেশ্বরের মাঝিপাড়ায় বুথ দখলকে কেন্দ্র করে ঝামেলা শুরু হয়। ঝামেলা চরম আকার ধারণ করলে পুলিশ আসে পরিস্থিতি নিয়মত্রণে আনতে। তখন পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান দু’দলের কর্মীরাই। এরপর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে তাঁদের। ভাঙচুর করা হয় পিলিশের গাড়ি। পুলিশকে ঘেরাও পর্যন্ত করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে ভেবে অতিরিক্ত পুলিশ বানিহী ও আধা সেনা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি ও কয়েকজন পুলিশকর্মীকে উদ্ধার করা গিয়েছে। পুলিশের কোনও কর্মী সেভাবে আহত হননি। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে এবং দ্রুত গ্রেফতারও করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বর্তমানে দিল্লি তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু অনুব্রত বীরভূমে না থাকলেও সেখানে এখনও বেহাল অবস্থা পদ্ম শিবিরের! কিন্তু আসন্ন পঞ্চায়েতের আগেই অনুব্রতহীন বীরভূমে জমি শক্ত করতেই হবে গেরুয়া শিবিরকে। আর তাই এবার জমি শক্ত করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক বৈঠকে বসছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
গতকাল সংখ্যালঘু সেলের ব্লক সভাপতি রিয়াজুল হক তৃণমূল কংগ্রেস দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। এবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সঙ্কেত সেনগুপ্ত। অভিষেক যাওয়ার আগেই দল ছাড়লেন দুই নেতা, চাপে বীরভূমের তৃণমূল।
এককালে বীরভূমে অনুব্রতর নামে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেত! কোনও বিরোধীরাই না গলানোর সুযোগ পেত না। এক কথায় কেষ্টর ওপর দায়িত্ব দিয়েই নিশ্চিন্তে ছিল তৃণমূল! এখন সেই সব অতীত! বর্তমানে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিহাড়ে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। আর এই সময় নাকি কেষ্ট-হীন বীরভূমে চাঙ্গা হয়ে উঠছে বিরোধীরা? এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ!