নজরবন্দি ব্যুরো: বর্তমানে দিল্লি তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু অনুব্রত বীরভূমে না থাকলেও সেখানে এখনও বেহাল অবস্থা পদ্ম শিবিরের! কিন্তু আসন্ন পঞ্চায়েতের আগেই অনুব্রতহীন বীরভূমে জমি শক্ত করতেই হবে গেরুয়া শিবিরকে। আর তাই এবার জমি শক্ত করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক বৈঠকে বসছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: পরিস্থিতির চাপে আসতে পারিনি! প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন মমতা


বিজেপি সূত্রের খবর, আজ, শনিবার তারাপীঠে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে সাংগঠনিক বৈঠকে বসছে জেলা নেতৃত্ব। আসন্ন পঞ্চায়েতে বিজেপির নজরে তৃণমূল নেতা অনুব্রতর বীরভূম। তাই ‘অনুব্রতহীন’ বীরভূমে নিজেদের ক্ষমতা বিস্তার করার লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে পদ্ম শিবির। যেহেতু এই মুহূর্তে তিহাড় জেলে রয়েছেন গরুপাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত অনুব্রত ও তাঁর কন্যা সুকন্যা। সেই কারণে এই সময়ে জনগণের মন পেতে মরিয়া বিজেপি।

প্রসঙ্গত, শুভেন্দু অধিকারীর সভার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পথে নেমে পড়েছেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের নানান দুর্নীতির অভিযোগকে হাতিয়ার করে এর আগেও বীরভূমে প্রতিবাদ মিছিল ও সভা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঠিক সেইরকম ভাবেও এইবার জমি শক্ত করতে সাংগঠনিক বৈঠকে বসছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এপ্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত, যেহেতু সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। আর পঞ্চায়েত শেষ হলেও তারপর আবার লোকসভা। আর নির্বাচনের আগেই নতুন করে সংখ্যালঘু ও বীরভূমের মানুষের মন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির।



অন্যদিকে, অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বললেন, “সাধারণ মানুষের করের টাকা তৃণমূলের কর্মসূচী? তাছাড়াও কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচারে কেন পুলিশ মোতায়েন থাকবে?” হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হওয়া পরেই বড় প্রশ্ন তুললেন সুকান্ত! তাহলেই কি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পথেই হাঁটলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সব মিলিয়ে আসন্ন পঞ্চায়েতের আগেরই তোলপাড় রাজনীতি!
অনুব্রতহীন বীরভূমে বেহাল অবস্থা পদ্ম শিবিরের, সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে সাংগঠনিক বৈঠকে বসছে জেলা নেতৃত্ব








