বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি বদলের জল্পনা তুঙ্গে। জুনের মধ্যেই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা। প্রদেশ পরিষদের সদস্য তালিকা ঘিরে শুরু রাজনৈতিক চর্চা। দিলীপ ঘোষের ফেরার সম্ভাবনা কি উজ্জ্বল?
লোকসভা নির্বাচন এবং তারপর বিধানসভা উপনির্বাচন, সবেতেই ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। উপনির্বাচনে তিনটি জেতা আসন তাঁরা হাতছাড়া করেছে। যদিও সুকান্ত মজুমদার তা নিয়ে হতাশ নন। তাঁর মতে, “উপনির্বাচন সবসময় শাসক দলের পক্ষে যায়।"
বুধবার নিজের ওয়ার্ডে প্রচার শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী। গতকাল সকালে বালুরঘাট শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে চায়ে পে চর্চা করেন তিনি। এরপর বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার সারেন।
গত ১০ মার্চ ব্রিগেডে জনগর্জন সভা থেকে ৪২ আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। জোরকদমে চলছে প্রচার। এদিকে এখনও বেশিরভাগ আসনেই দাবিদার নেই বিজেপির।
গত লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে জয় পেয়েছিলেন তিনি। এবারেও তাঁর উপরই আস্থা রেখেছে পদ্ম শিবির। বুধবার একটি ছোট ভিডিওর মাধ্যমে নিজের এলাকা ও জেলায় রেল উন্নয়নের জন্য কী কী কাজ করেছেন তার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন তিনি।
গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling case) নাম জড়িয়েছে দেবের। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই তাঁকে দিল্লির সদর দফতরে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি। দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।