কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার শুনানি হতে পারে বলে খবর। এদিকে পুলিশের অনুমতি না পেলে বিজেপির নিশানায় আসে শাসক দল তৃণমূল (TMC)।
এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার ফের সন্দেশখালিতে যান সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। গতকালও তাঁকে কিছুক্ষণের জন্য আটক করা হয়। মুক্তি পেয়েই সোজা রাজভবনে চলে যান। সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
রবিবার বীরভূমের প্রশাসনিক অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো বলেছিলেন, 'কোন অধিকারে কাউকে জিজ্ঞাসা না করে তার আধার কার্ডের লিংক কেটে দিচ্ছ। নির্বাচনের আগে যাতে সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে রেশন না পায়, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নাম পায় তার জন্য চক্রান্ত চলছে।'
শুক্রবার সুকান্ত মজুমদারকে দেখতে হাসপাতালে যান অভিনেতা-বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এই ঘটনায় তৃণমূল ও রাজ্য পুলিশের দিকেই আঙুল তুলেছে বিজেপি। যদিও শাসক দলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই পা টেনে ফেলে দিয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদারকে।
কলকাতার অ্যাপেলো হাসপাতালে নিউরোলজি বিভাগে সুকান্তের চিকিৎসা চলছে বর্তমানে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুধবার রাতে এমআরআই করা হয়েছিল। তার আগে সিটি স্ক্যানও হয়েছিল তাঁর। চোটের কারণে মূলত কোমরে সমস্যা ধরা পড়েছে।
বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ সুকান্তকে ভর্তি করা হয় কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে। তাঁকে হাসপাতালে দেখে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) চিঠি পাঠান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি সন্দেশখালির ঘটনায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দাবি করেন।