সন্দেশখালি যাওয়ার পথে ধস্তাধস্তিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। টানা তিনদিন চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থাকার পর শনিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া হল বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। এখন কেমন আছেন তিনি?



আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন, ঘুরে দেখলেন এলাকা
সন্দেশখালিকাণ্ডে গত কয়েকদিন ধরে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। প্রধান বিরোধী দল বিজেপি সরব হয়েছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পুজোর দিন বালুরঘাট সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Bengal BJP President Sukanta Majumdar) সন্দেশখালির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ১৪৪ ধারা জারি থাকায় মাঝপথেই আটকে দেওয়া হয় তাঁকে। তবে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সরস্বতীর প্রতিমা হাতে বেরিয়ে পড়েন। ইছামতী নদীর তীরে পুজো শুরু হয়। সেইসময় পুলিশ এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের গাড়ির বনেটের উপর উঠে বিক্ষোভ দেখান সুকান্ত। পুলিশ কর্মীরা গাড়ি পিছোতে শুরু করলে ঝাঁকুনির জেরে মাটিতে পড়ে যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান হারান। এরপর পুলিশের গাড়ি করেই তাঁকে নিকটবর্তী বসিরহাট সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জরুরী বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয় সুকান্ত মজুমদারের। কিছু সময় পর কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। জানা যায়, কলকাতার হাসপাতালে নিউরো ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। বিজেপি সাংসদের পেটে, বুকে, মাথায়, ঘাড়ে ও স্পাইনাল কর্ডে সিটি স্ক্যান করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয় তাঁর। শনিবার সকালে হুইল চেয়ারে করেই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসেন সুকান্ত। হাসপাতালের বাইরে বহু সংখ্যায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা উপস্থিত ছিল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি হাত নাড়িয়ে বুঝিয়ে দেন এখন ভালো আছেন তিনি।


৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে ছুটি সুকান্তর, হুইল চেয়ারে করে বেরোতেই হল পুষ্প বৃষ্টি

উল্লেখ্য, শুক্রবার সুকান্ত মজুমদারকে দেখতে হাসপাতালে যান অভিনেতা-বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এই ঘটনায় তৃণমূল ও রাজ্য পুলিশের দিকেই আঙুল তুলেছে বিজেপি। যদিও শাসক দলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই পা টেনে ফেলে দিয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদারকে।







