সুব্রত চ্যাটার্জীকে সঙ্গী করে বিজেপির দায়িত্বে দিলীপ ঘোষ? বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা ফের মাথাচাড়া দিয়েছে। যদিও দলনেতাদের কেউ সরাসরি কিছু বলছেন না, তবে বিজেপির সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় সাম্প্রতিক তৎপরতা সেই জল্পনাকে কার্যত সত্যিই প্রমাণ করছে।
সম্প্রতি রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার দীপক বর্মন রাজ্যের সব জেলা সভাপতি থেকে প্রদেশ পরিষদের নতুন সদস্যদের নাম চেয়ে পাঠিয়েছেন। সূত্রের খবর, জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই প্রকাশ হতে চলেছে সেই সদস্য তালিকা।


সুব্রত চ্যাটার্জীকে সঙ্গী করে বিজেপির দায়িত্বে দিলীপ ঘোষ? রাজ্য সভাপতি নিয়ে বড় খবর

কেন এই তালিকা?
বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, রাজ্য সভাপতি নির্বাচনে ভোটাধিকার রয়েছে শুধুমাত্র প্রদেশ পরিষদের সদস্যদের। তাই নতুন সভাপতির নির্বাচন উপলক্ষে এই তালিকা তৈরি বলেই রাজনৈতিক মহলের অভিমত। আর তা থেকেই ধরে নেওয়া যাচ্ছে, সুকান্ত মজুমদারের উত্তরসূরি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।
কে হবেন পরবর্তী সভাপতি?
দলের একাংশের মতে, রাজ্য সভাপতি হিসেবে সবচেয়ে সফল ছিলেন দিলীপ ঘোষ। আবার, অন্য একটি গোষ্ঠী সুব্রত চ্যাটার্জীর নামও ভাবনায় রেখেছে। তবে আরএসএস ঘনিষ্ঠ মহল দিলীপ ঘোষকে ফেরানোর পক্ষেই জোরালো সওয়াল করছে।
জাতীয় সভাপতির নির্বাচনও সামনে
সূত্রের খবর, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির নির্বাচনও জুন মাসেই হতে পারে। তৃতীয় সপ্তাহে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর, চতুর্থ সপ্তাহে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা। ফলে জেপি নাড্ডার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে দিল্লির অন্দরমহলে।


কোনও গঠনতন্ত্র পরিবর্তন নয়, শুধুই সভাপতি নির্বাচন
দলের সংগঠনে নতুন কোনও পদ তৈরি হচ্ছে না, বা সাংগঠনিক সীমা পুনর্বিন্যাসের কোনও পদক্ষেপ নেই বলেই জানা গিয়েছে। সুতরাং এই প্রদেশ পরিষদের সদস্য তালিকা তৈরির উদ্দেশ্য যে সভাপতি নির্বাচন, তা আর ঢাকেঢাকির কিছু নেই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লোকসভা ২০২৪–এর ফলাফল পরবর্তী সময়ে দলকে নতুন কৌশলে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে বিজেপি। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজ্য নেতৃত্বেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট।







