ভোটের ময়দানে ফের শিক্ষাঙ্গনকে কেন্দ্র করে তীব্র আক্রমণ শানালেন মোদী। বারুইপুরের জনসভা থেকে তিনি অভিযোগ করেদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়-এর ক্যাম্পাসে এখন পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে, সেখানে চলছে “অরাজকতা” ও “দেশবিরোধী কার্যকলাপ”।
সভামঞ্চ থেকে মোদীর বক্তব্য, “একসময় গোটা বিশ্বে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হত। সেই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিই ছিল জাতীয়তাবাদ। কিন্তু আজ ক্যাম্পাসে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা হচ্ছে। ছাত্রদের পড়াশোনার বদলে রাস্তায় নামতে বাধ্য করা হচ্ছে।”


তিনি আরও বলেন, তাঁর লক্ষ্য শিক্ষাঙ্গনে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা—“আমরা অরাজকতার বদলে পড়াশোনার পরিবেশ চাই, হুমকির বদলে সহমর্মিতা চাই।”
এই প্রসঙ্গেই শাসক দলকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “যে সরকার নিজের রাজ্যের অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে পারে না, তারা কীভাবে বাংলার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করবে?”
শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বৃহত্তর প্রশাসনিক কাঠামো নিয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে রাজ্যে “সিন্ডিকেট রাজ” গড়ে উঠেছে এবং তার প্রভাব শিক্ষাঙ্গনেও পড়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতি ও অনুপ্রবেশের ইস্যু তুলে তিনি দাবি করেন, এর জেরে বাংলার তরুণ প্রজন্ম কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।


সব মিলিয়ে, বারুইপুরের সভা থেকে শিক্ষাব্যবস্থা, কর্মসংস্থান ও আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন তুলে ভোটের আগে রাজনৈতিক বার্তা আরও তীব্র করলেন প্রধানমন্ত্রী।








