বঙ্গ সফরে এসে গঙ্গার বুকে নৌকাবিহার—সেই ছবিই ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। শুক্রবার সকালে মোদি-র গঙ্গাভ্রমণকে নিশানা করে হাওড়ার সভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মমতা। তাঁর কটাক্ষ, “গঙ্গায় ঘুরেছেন ভালো কথা, কিন্তু একবার দিল্লির যমুনায় গিয়ে ডুব দিয়ে আসুন।”
মমতা বলেন, বাংলার গঙ্গা নদী তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার বলেই সেখানে নৌকাবিহার সম্ভব হয়েছে। তাঁর কথায়, “বাংলার গঙ্গা পরিষ্কার, তাই এখানে এসে নৌকাবিহার করছেন। এটা ভোটের মধ্যে রাজনীতি, ফটোশপিং।” পাশাপাশি তিনি জানান, নিজেও নিয়মিত গঙ্গাবিহার করেন—চন্দননগর থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত।


দিল্লির যমুনা নদী-এর দূষণ প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, “আপনি যমুনা সামলাতে পারেন না, আর বাংলায় এসে গঙ্গা নিয়ে প্রচার করছেন।” রাজধানীতে দূষণ, বিশেষ করে যমুনার ফেনায় ঢেকে যাওয়ার ঘটনা তুলে ধরে সেই ইস্যুকেই রাজনৈতিক আক্রমণের অস্ত্র করেছেন তৃণমূল নেত্রী।
প্রসঙ্গত, যমুনার দূষণ নিয়ে বহুদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে এবং দিল্লির রাজনীতিতেও তা বড় ইস্যু। সেই প্রেক্ষাপটেই মোদীর গঙ্গাবিহারকে ঘিরে পাল্টা বার্তা দিলেন মমতা।
অন্যদিকে, বারাণসী-র সঙ্গে কলকাতার সংযোগ আরও মজবুত করতে করিডর তৈরির ঘোষণাও হয়েছে সম্প্রতি। সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মোদী নিজেই। ফলে গঙ্গাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বার্তা যে আরও তীব্র হবে, তা স্পষ্ট।


সব মিলিয়ে, গঙ্গাবিহার ঘিরে শুরু হওয়া এই বাকযুদ্ধ ভোটের আগে নতুন মাত্রা যোগ করল বাংলার রাজনৈতিক লড়াইয়ে।







