নজরবন্দি ব্যুরোঃ পাঁচ দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলাজুড়ে প্রচার সারছেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মহাগুরুর শেষ দিনের প্রচারে রাজনৈতিক মহলের বিশেষ নজর বীরভূম জেলায়। তাঁর সফরসঙ্গী হচ্ছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জেলবন্দী কেষ্টর ওপর তৃণমূল ভরসা রাখলেও এত সহজে জমি ছাড়তে নারাজ গেরুয়া শিবির। কেষ্টর গড়ে প্রচারে ফাটাকেষ্ট, কী বার্তা দেবেন তিনি? তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুনঃ Bhatpara: বিয়েবাড়িতে বক্স বাজানোকে কেন্দ্র করে বোমাবাজি, ভোটের আগে উত্তপ্ত ভাটপাড়া


বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে সংগঠন নিয়ে চিন্তায় রয়েছে গেরুয়া শিবির। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানের পর আজ বীরভূম জেলায় প্রচারে নেমেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। মূলত বুথস্তরের সংগঠনকে চাঙ্গা করাই প্রধান লক্ষ্য। তাই মিঠুন চক্রবর্তীকে ব্যবহার করে প্রচারে ঝড় তুলতে চায় বিজেপি।

অন্যদিকে, গরু পচার মামলায় গত ১১ অগাস্ট থেকে আসানসোল সংশোধনাগারই ঠিকানা অনুব্রত মণ্ডলের। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য ও প্রমাণ জোগাড় করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। আসানসোলের পর কেষ্টকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই ইস্যুটিকেই হাতিয়ার করতে চায় বিজেপি।
বীরভূমে না থাকলেও জেলার সংগঠনের ওপর নজর রেখেছেন কেষ্ট। ভরা এজলাস থেকে দলীয় কর্মীদের কর্মসূচি বাতলে দিচ্ছেন তিনি। আবার কখনও বিশেষ কর্মসূচির ঘোষণাও করছেন। অনুব্রতর নির্দেশ মেনে মিঠুনের পরেই বীরভূমে বিরাট সমাবেশ করবেন তৃণমূল নেতৃত্ব।


কেষ্টর গড়ে প্রচারে ফাটাকেষ্ট, মুষড়ে পড়া সংগঠনকে বিশেষ বার্তা

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, অনুব্রত না থাকলেও বীরভূমে সংগঠন সাজানো রয়েছে তাঁর। তার ওপর দুধকুমার মণ্ডল, অনুপম হাজরাদের মতো নেতারা জেলায় সক্রিয় নয়। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বাজিমাত অসাধ্য সাধনের মতোই। তার আগে আজ সমাবেশ থেকে কী বার্তা দেন মিঠুন চক্রবর্তী? এখন সেটাই দেখার।








