'প্রজাপতি' নন্দনে হল না পাওয়া নিয়ে শাসক দলের দিকে আঙুল তোলে বিজেপি। তারা দাবি করেছিলেন, 'মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপির হওয়ায় তাঁর অভিনীত ছবিকে নন্দনে জায়গা দেওয়া হয়নি।'
শোনা যাচ্ছে, আগামী মাসেই একাধিক বিধায়ক বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করতে পারে। এই জল্পনার মধ্যেই বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আরও একবার বিজেপিতে ভাঙন ধরানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানালেন দিল্লির নেতারা সবুজ সংকেত দিলেই যোগদান শুরু হবে।
বারবার তিনি দাবি করেছেন তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক এবং সাংসদ তাঁর যোগাযোগে রয়েছে। অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর সেই কথা রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এরই মধ্যে মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করলেন, মিঠুনদা আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এমনকি ব্যক্তিগত কারণে মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপিতে গেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাসন্তীতে সভার কথা ছিল মিঠুন চক্রবর্তীর। ছিলেন বিজেপি নেতা অগ্নিমিত্রা পাল। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, যদি না মরে যাই, যাদের কাঁচা বাড়ি পাকা আমিই করে দেব। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতেই হবে। এর জন্য কাউকে বিজেপি হতে হবে না। কোনও নেতার ঘনিষ্ঠ হতে হবে না। সেখান থেকেই আবাস নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি।
প্রজাপতি উড়ছে শহর জুড়ে, অথচ নন্দনে নেই তার চমক। রাজনীতি নিয়ে জল ঘোলা কম হয়নি। তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা কড়া হাতে বিষয়টি সামলে সাফল্যের শেষ হাসি হেসেছেন। অবশ্য বিতর্কের মধ্যমণি মিঠুন চক্রবর্তী ছিলেন নীরব। এতোদিনে তিনি মুখ খুললেন। বুঝিয়ে দিলেন তাঁকে ফ্লপ করা এতো সহজ নয়। এলি তেলি গঙ্গারামদের পাত্তা দিতে নারাজ মিঠুন।
দর্শকের জন্য দারুন সুখবর দিলেন মিঠুন। ঘরে ফিরছেন মহাগুরু। প্রজাপতি কি আবারও বাংলার সঙ্গে বাঁধছে মহাগুরুকে। ১০ বছর পর জি বাংলার জনপ্রিয় ডান্স রিয়ালিটি শো-এর মঞ্চে দেখা যাবে মিঠুন চক্রবর্তীকে।