লক্ষ্য ২৬ এর নির্বাচন, মুসলিম ভোট পেতে মোদীর রাজনৈতিক টোটকা, কী করবেন BIP-র বঙ্গ নেতারা? 

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৮টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। তারপরে দু’বছর গেরুয়ার দাপট ক্রমশ বাড়তে থাকে। যার ফল একুশের নির্বাচনে দেখা গিয়েছে। আগামী লোকসভা নির্বাচনে সুকান্তদের ২৫টি আসনের টার্গেটমাত্রা বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

আরও পড়ুনঃ এবারের থিম দুর্গা ও নারী ক্ষমতায়ন, প্রজাতন্ত্রের কুচকাওয়াজে ফিরছে বাংলার ট্যাবলো

কিন্তু সেই টার্গেট পেতে গেলে যে ৭০-৩০ এর ভাগ করা চলবে না তা বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছেন গেরুয়া দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। আর সেই কারনেই মঙ্গলবার বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে নরেন্দ্র মোদী অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বার্তা দিয়েছেন মুসলিম সমাজের কাছে পৌঁছতে হবে নীচুতলার কর্মীদের।

লক্ষ্য ২৬ এর নির্বাচন, মুসলিম ভোট পেতে মোদীর রাজনৈতিক টোটকা, কী করবেন BIP-র বঙ্গ নেতারা? 

বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলকাগুলিতে যেখানে সংখ্যালঘুদের আধিক্য, সে সব এলাকায় গিয়ে তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনতে হবে কর্মীদের। শিক্ষিত মুসলিম সমাজের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেন তিনি। ২৬ এর নির্বাচন বছর খানেক দেরি। এর আগে বিভিন্ন রাজ্যে দশ-দশটি বিধানসভা নির্বাচন।

লক্ষ্য ২৬ এর নির্বাচন, মুসলিম ভোট পেতে মোদীর রাজনৈতিক টোটকা, কী করবেন BIP-র বঙ্গ নেতারা? 

লোকসভা নির্বাচনের আগে সার্বিক জনমত পেতে মোদী মরিয়াভাবে ঝাঁপানোর টোটকা দেন এ দিন, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। এই টোটকা সমূহেরই অন্যতম সংখ্যালঘুদের মন জয়। আর সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ যে অন্যতম তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর সেই কথা মেনেই রাজ্যের বিজেপি নেতারা সুর বদলাতে শুরু করেছেন, যেমন গত কাল বুধবার বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বললেন,

“বিজেপি কখনই মুসলিম বিরোধী নয়।” অপর দিকে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিজেপি সম্পর্কে বছরের পর বছর মুসলিম সম্প্রদায়কে ভুল বোঝানো হয়েছে। বিজেপির ভয় দেখিয়ে তাঁদের ভোটব্যাঙ্ক করে রাখা হয়েছে। মুসলিমদের ভারতের নাগরিক ভাবেননি কেউ।”

লক্ষ্য ২৬ এর নির্বাচন, মুসলিম ভোট পেতে মোদীর রাজনৈতিক টোটকা, কী করবেন BIP-র বঙ্গ নেতারা? 

18 4

আসলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে ফের একবার মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হতে গেলে বাংলা থেকে বেশি আসন পেতেই হবে। আর সেটা সংখ্যালঘু ভোট ছাড়া সম্ভব নয়। এই বাস্তব সত্যটি বুঝতে পেরেই বিজেপির বা মোদীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন দেশের অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত