ভোটপ্রচারের শেষ দিনে নদিয়ার কালীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠল। দুই দলের সমাবেশ ঘিরে তৈরি হল সংঘাতের পরিস্থিতি, আর সেই আবহেই পুলিশের সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লেন সিপিএম নেতৃত্ব। অভিযোগ উঠল, প্রশাসনের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তই এই অশান্তির মূল কারণ।
সোমবার ছিল প্রচারের শেষ দিন। স্বাভাবিকভাবেই মাঠে ছিল সব রাজনৈতিক দল। মহম্মদ সেলিম এবং শতরূপ ঘোষ-এর উপস্থিতিতে বামফ্রন্ট তাদের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে মিছিল আয়োজন করে। একই সময়ে একই এলাকায় কর্মসূচি ছিল TMC-এরও।


দুই মিছিল মুখোমুখি হয়ে পড়তেই উত্তেজনা দ্রুত বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণের বদলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়। পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে সরাসরি তর্কে জড়িয়ে পড়েন বাম নেতৃত্ব। অভিযোগ, প্রশাসন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে এবং একই সময় দুই দলের কর্মসূচির অনুমতি দিয়ে পরিস্থিতি জটিল করেছে।
বাম নেতাদের বক্তব্য, পুলিশের ভূমিকা ছিল প্রশ্নের মুখে। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসন চাইলে আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারত। বরং তাঁদের সভা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলেই দাবি করেন তাঁরা। উত্তপ্ত মুহূর্তে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগও ওঠে।
প্রাথমিকভাবে দায় এড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে ব্লক স্তরের সিদ্ধান্তের দিকে আঙুল তোলা হলেও পরে সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিক ভুল স্বীকার করেছেন বলে জানা যায়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।


ভোটের ঠিক আগে এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও নিরপেক্ষতা নিয়ে। নির্বাচনের আবহে এমন ঘটনা রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।







