নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রজাপতি উড়ছে শহর জুড়ে, অথচ নন্দনে নেই তার চমক। রাজনীতি নিয়ে জল ঘোলা কম হয়নি। তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেব কড়া হাতে বিষয়টি সামলে সাফল্যের শেষ হাসি হেসেছেন। অবশ্য বিতর্কের মধ্যমণি মিঠুন চক্রবর্তী ছিলেন নীরব। এতোদিনে তিনি মুখ খুললেন। বুঝিয়ে দিলেন তাঁকে ফ্লপ করা এতো সহজ নয়। এলি তেলি গঙ্গারামদের পাত্তা দিতে নারাজ মিঠুন।
ত্রিপুরায় ভোট প্রচারে বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তী। এদিন ত্রিপুরা যাওয়ার আগে এই মন্তব্য করেছেন মিঠুন। মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিঠুন বলেন, “আমার টিআরপি নামাতে চেয়েছিলি। আর মরা অবধি পারবি না”। কুণাল ঘোষ প্রসঙ্গে জানান, ‘এলি তেলি গঙ্গারামদের আমি জবাব দিতেই চাই না’। গলায় বিরক্তি আর তাচ্ছিল্যের ঝাঁজ। মহাগুরুর পর্দার মেজাজ আবারও দেখা গেল এদিন।

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “এই সিনেমাটায় দেবের অভিনয় দারুণ। দেব দারুণ অভিনয় করেছেন। টনিকে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপারহিট। আর এখানে ডুবিয়ে দিয়ে গিয়েছেন মিঠুনদা। মিঠুনদার অভিনয়ের জন্য ছবিটা ঝাড় খেয়ে গিয়েছে। মিঠুনদাকে দশ গোল দিয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। দেব যে সমস্যায় পড়েছেন, তাতে ওর মনের কথা বলা সম্ভব নয়”। আর এই মন্তব্য করে আরও বিতর্ক উস্কে দিয়েছিলেন তিনি।
এর প্রত্যুত্তরে অভিনেতা প্রযোজক দেব জানিয়েছিলেন, এটা কুণালদার ব্যক্তিগত মন্তব্য। সিনেমাটা আমার বিষয়, আমার উপর ছেড়ে দেওয়াই ভালো। ২৩ তারিখ রিলিজের পর থেকেই ছবিটি সব হলেই হাউজফুল। দেব বা মিঠুনের জন্য হোক এই ছবি হিট। আর হাউসফুল একের পর এক হল। শুধু রাজ্য নয়, রাজ্যের বাইরে প্রজাপতির দৌড় দেখে বোঝা গেছে প্রযোজক হিসাবে দেব সঠিক কাজ করেছেন।
প্রজাপতির টিআরপির কমানো সোজা নয়, এলি তেলি গঙ্গারাম কুণালদের পাত্তা দিতে নারাজ মিঠুন

রাজনীতি ভুলে সিনেমার স্বার্থে মিঠুনের সমর্থনে সরব হয়েছেন দেব। সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে প্রজাপতি সিনেমার দৃশ্যের একটি ছবিও শেয়ার করেন তিনি, সেখানে দেখা যায় হাত ধরে মিঠুন কে নিয়ে বেড়িয়ে আসছেন দেব। ক্যাপ্সহন লেখেন, ‘এমনি’ তবু এ নিয়েও কম চর্চা হয়নি। এরইমধ্যে এবার মিঠুনের এই মন্তব্য যে রাজনীতির জলকে আরও অনেকদূর নিয়ে যাবে তা নিয়ে সন্দেহ নেই।









