নজরবন্দি ব্যুরোঃ সিনেমা নিয়েও রাজনীতি! বড়দিনের বড় কথা ছিল এটি। গেরুয়া আর সবুজ রাজনীতির দুই মেরুকে মিলিয়ে দেবে প্রজাপতি, এটাই ছিল আশা। কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওয়া গেল না। নন্দনে দেব ও মিঠুন অভিনীত প্রজাপতি মুক্তি পেল না। আর তাই নিয়ে দেবের একটা ছোট্ট ট্যুইট সরগরম করে রাখল রাজ্য রাজনীতি থেকে বিনোদন দুনিয়া।
আরও পড়ুনঃ


দেব টুইটে লিখেছিলেন, “এইবার তোমাকে মিস করব ‘নন্দন’। কোনও ব্যাপার না। আবার দেখা হবে। এখানেই গল্পের শেষ”। না একেবারেই গল্পের শেষ নয় বরং এখানেই সূত্রপাত। রাজনীতির সূক্ষ্ম মার প্যাঁচকে কৌশলে ছুঁতে চেয়েছিলেন অভিনেতা দেব। তবে সবটা আড়াল করা গেল না। প্রশ্ন তুললেন কৌশিক সেন থেকে রুদ্রনীল ঘোষের মত ব্যক্তিত্ব। রেখে গেলেন একাধিক প্রশ্ন। অভিনেতা-সাংসদ দেব ও বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ছবি ‘প্রজাপতি’ সরকারি প্রেক্ষাগৃহে জায়গা পায়নি। কিন্তু সেখানেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এই দ্বিচারিতা? নেপথ্যে কি রয়েছে রাজনৈতিক কারণ? মিঠুন চক্রবর্তীর রাজনৈতিক পরিচয়ই কি দায়ী এর পিছনে? ঠিক এই কারনেই কী কিফের মঞ্চে ডাক পেলেন না মিঠুন?

এর সরাসরি ব্যাখা হয়ত কেউ দেবেন না। তবে কাটাছেঁড়া, বিশ্লেষণে যে ঘাটতি পরবে না তা জানা কথা। ধেয়ে এল নানা মন্তব্য। দেবকে উপদেশ দিলেন বিপক্ষ দলের নেতা তথা অভিনেতা রুদ্রনীল। তিনি বললেন, “সিনেমাতে বহুদিন আগেই রঙ লাগিয়ে দিয়েছে এরা। এরা যেটা করছে তা হল ক্ষমতার ব্যাভিচার…তৃণমূলের সাংসদ, আমার বন্ধু-ভাই দেবকে একটা বার্তা দেব, আসলে আপনারা যে নির্বাচনী প্রচারে মানুষ ঠকানোর হাতিয়ার মাত্র এটা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন”? যদিও এর সদুত্তর এখনও দেননি দেব।
প্রজাপতি’ মেলাতে পারল না দুই মেরুর রাজনীতি, দেবের ট্যুইট বিতর্কে জবাব রুদ্রনীল, কৌশিক সেনদের



কৌশিক সেন বলেন,“ প্রজাপতি নন্দনে মুক্তি না পাওয়ার মধ্যে কোনও রাজনীতি রয়েছে কিনা জানি না, তবে সন্দেহ তো থেকেই যায়।” কৌশিক টেনে এনেছেন ‘অপরাজিত’ ছবির কথা। অনীক দত্তের ওই ছবিও নন্দনে জায়গা পায়নি। সেখানেও ছিলেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষ তবু সরকারী হলে প্রদর্শিত হয়নি ছবি। এটিকে তিনি লজ্জার কথা বলে ব্যাখা করেছে। ফলত আগামী দিনে প্রজাপতি যে ব্যাপক এক বিতর্কের আকর হয়ে উঠবে তা এই কদিনেই আন্দাজ করা যাচ্ছে।








