Dilip Ghosh: সিনেমাহল যেন বাবার সম্পত্তি, দেবকেও কোণঠাসা করতে চাইছে তৃণমূল, বিস্ফোরক দিলীপ

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বঙ্গ রাজনীতিতে সম্প্রতি দুটি শব্দ বিতর্কের শিরোনামে রয়েছে, প্রথমটি মর্নিং ওয়াক দ্বিতীয়টি ‘প্রজাপতি’। আবারও প্রাতঃভ্রমণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ‘প্রজাপতি’ নিয়ে স্টেটমেন্ট দিলেন দিলীপ ঘোষ। বললেন, তৃণমূল দেবকেও কোণঠাসা করতে চাইছে। তবে কি দেব ব্রাত্য তৃণমূলে? কী বলছেন রাজনৈতিক মহল?

আরও পড়ুনঃ ‘প্রজাপতি’ মেলাতে পারল না দুই মেরুর রাজনীতি, দেবের ট্যুইট বিতর্কে জবাব রুদ্রনীল, কৌশিক সেনদের

সরকারি প্রেক্ষাগৃহ নন্দন আর সেখানে বঞ্চিত দেব-মিঠুন অভিনীত প্রজাপতি। এপর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু তারপরে দেবের একটি ছোট্ট ট্যুইটে সাড়া পড়ে গেল রাজনৈতিক মহলে। দেব টুইটে লিখেছিলেন, “এইবার তোমাকে মিস করব ‘নন্দন’। কোনও ব্যাপার না। আবার দেখা হবে। এখানেই গল্পের শেষ”। না একেবারেই গল্পের শেষ নয় বরং এখানেই সূত্রপাত। রাজনীতির সূক্ষ্ম মার প্যাঁচকে কৌশলে ছুঁতে চেয়েছিলেন অভিনেতা দেব। তবে সবটা আড়াল করা গেল না।

সিনেমাহল যেন বাবার সম্পত্তি, দেবকেও কোণঠাসা করতে চাইছে তৃণমূল,  বিস্ফোরক দিলীপ
সিনেমাহল যেন বাবার সম্পত্তি, দেবকেও কোণঠাসা করতে চাইছে তৃণমূল,  বিস্ফোরক দিলীপ

কেন এই দ্বিচারিতা? নন্দনে কেন ব্রাত্য ‘প্রজাপতি’? নেপথ্যে কি রয়েছে রাজনৈতিক কারণ? মিঠুন চক্রবর্তীর রাজনৈতিক পরিচয়ই কি দায়ী এর পিছনে? ঠিক এই কারনেই কী কিফের মঞ্চে ডাক পেলেন না মিঠুন? উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এদিন প্রাতঃভ্রমনে বেড়িয়ে এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বললেন, “এতো সুন্দর হল নন্দন সেখানে শো দেওয়া হল না। তাদেরই সাংসদ সেখানে অন্যতম তারকা। সেটাই তো। মিঠুনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে বলে, তাকেও কোনঠাসা করার চেষ্টা।

বিনোদন মুছে দেবে রাজনৈতিক সীমানা। এমন ছবি ছিল অভিপ্রেত। একদিকে বাংলার ‘জনপ্রিয় অভিনেতা’ দেব ও ‘জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত অভিনেতা’ মিঠুন অভিনয় জীবনের এই পরিচয় গুলি গুরুত্ব পাবে এমন আশা করা হয়েছিল কিন্তু তেমন কিছুই ঘটল না। বরং তৃণমূল সাংসদ দেবের সঙ্গে বিজেপি নেতা মিঠুনের ছবিকে বন্ধ করে রাজনৈতিক অভিসন্ধীকে উসকে দেওয়া হল। আর তাই নিয়ে জল ঘোলা হল বিনোদন জগত থেকে রাজনৈতিক মহলে। অভিনেতা রুদ্রনীল, কৌশিক সেন থেকে রাজনৈতিক নেতা দিলীপ ঘোষ, কেয়া ঘোষ, সমীক মজুমদার কেউ ছেড়ে কথা বললেন না।

সিনেমাহল যেন বাবার সম্পত্তি, দেবকেও কোণঠাসা করতে চাইছে তৃণমূল,  বিস্ফোরক দিলীপ

dilip on dev

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন,”যেন বাবার সম্পত্তি। পার্টির সম্পত্তি। মিসইউজ চলছে। যাদের নামে লোক হলে আসে, তাঁদের দূরে রাখার চেষ্টা চলছে। রাজ্যের সুপার স্টার মিঠুন চক্রবর্তী। বহুদিন পর একটা বাংলা ছবি করলেন। লোকে মুখিয়ে আছে। বয়কটের হুমকি। দেবকে তৃণমূল ব্যবহার করেছে। একসময় সিনেমা রিলিজ বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। জোর করে টিকিট দিয়ে ওকে সাংসদ করেছে। এদের কাছে আর কিছু আশা করা যায় না। এরা রাজনীতি ছাড়া আর কিচ্ছু বোঝে না।”

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

Advertisementspot_img

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর