বন্ধুত্বের গল্প কখনও পুরোনো হয় না। সেই শিবাজি পার্কের দিনগুলো যেন আবার ফিরে এল। কাম্বলির শরীর ভালো নেই, তবু প্রিয় বন্ধুর জন্মদিনে আবেগকে থামানো যায়নি। ৫৩-তে পা দেওয়া শচীনেকে শুভেচ্ছা জানাতে তিনি হাজির হলেন সেই পুরনো ঠিকানায়—মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে।
একটি বিজ্ঞাপনী ভিডিওতে দেখা যায়, পার্কের বেঞ্চে বসে কাম্বলি বলছেন, “পার্টনার, আজ তো সেলিব্রেশন করতেই হবে।” তারপর চারপাশের ছোট-বড় সবার হাতে আইসক্রিম তুলে দেন তিনি। দুই খুদে ক্রিকেটারকে দেখে যেন ফিরে আসে শচীন-কাম্বলির শৈশবের প্রতিচ্ছবি। পেছনে বাজতে থাকে ‘শোলে’র সেই বিখ্যাত গান—“ইয়ে দোস্তি…”। শেষ দৃশ্যে কাম্বলির কণ্ঠে ভেসে আসে, “শুভ জন্মদিন, পার্টনার।”


কাম্বলির কথায়, “২৪ এপ্রিল এলেই শচীনের কথা খুব মনে পড়ে। ছোটবেলায় আমরা একসঙ্গে খেলেছি, জন্মদিন উদ্যাপন করেছি—আমাদের বন্ধন ভাঙার নয়।”
সাম্প্রতিক সময়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কাম্বলি। মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা, স্মৃতিশক্তির অবনতি—সব মিলিয়ে কঠিন সময়ের মধ্যে রয়েছেন তিনি। এই লড়াইয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন শচীন নিজেও—যা তাঁদের বন্ধুত্বের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে।
এদিকে নিজের জন্মদিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন শচীন। স্ত্রী অঞ্জলি ও মা রজনীর সঙ্গে ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, “এভাবেই দিন শুরু—এর থেকে বেশি আর কী চাই!” ভক্তদের ভিড়ের মাঝেই কেক কেটে উদ্যাপন করেন ‘মাস্টার ব্লাস্টার’।


ক্রিকেটের পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে, এই গল্প আসলে বন্ধুত্বের—যেখানে সময়, দূরত্ব বা অসুস্থতা কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।







