বকেয়া বেতন ও স্থায়ীকরণের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বরস্থ হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ খেতমজুর সমিতির অস্থায়ী কর্মীরা। মঙ্গলবার তাঁদের মিছিলের শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অর্থাৎ, ডিএ আন্দোলনের পাশাপাশি শহিদ মিনারে অবস্থানে বসবে অস্থায়ী কর্মীরা।
বুধবার কলকাতা হাই কোর্টের একটি শুনানি চলাকালীন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোককুমার চক্রবর্তী জানালেন, CBI- এর পাঁচ আধিকারিক আসছেন কলকাতায়। একাধিক মামলায় সিবিআইয়ের তৎপরতায় গ্রেফতার হয়েছেন শাসক দলের বহু নেতা। এর মধ্যে সিবিআইয়ের আধিকারিকদের আনা খবর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
রাজ্য বিধিবিষেধ আরোপ করতে পারে। কিন্তু DA আন্দোলনকারীদের মিছিলে আপত্তি কেন? প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিচারপতির মন্তব্য ছিল, মিছিলের জন্য অনুমতি চেয়ে ৩০ থেকে ৪০টি মামলা আমার কাছে এসেছে। কিন্তু মিছিল করার জন্য কেন আদালতকে বার বার হস্তক্ষেপ করতে হবে? পরে DA মিছিলের অনুমোদন দিল হাইকোর্ট।
৬ তারিখ মহামিছিলের ডাক দিয়েছিল সরকারি কর্মচারীদের সংগথন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু পুলিশের তরফ থেকে মিছিলের অনুমতি না মেলার কারণে আদালতের স্বারস্থ হন সরকারি কর্মচারিরা। DA আন্দোলনকারীদের মিছিলে আপত্তি কেন? রাজ্যকে প্রশ্ন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার।
পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, যে ছাপাখানায় পোস্টার ছাপা হয়েছে, তার হদিশ পাওয়া গেছে। বিচারপতি মান্থার নামের পোস্টার ছাপিয়েছিল কারা? হদিশ পেয়েছে পুলিশ। এই কাজের সঙ্গে জাহিদ হুসেইন ও মহম্মদ ইকবাল নামে দুই ব্যক্তি যুক্ত। হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তাঁদের দুই জনকেই আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
আগামী সপ্তাহে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কেন আদালতের নির্দেশ মান হল না? প্রয়োজনে সমস্ত নিয়োগ খারিজ করে দেওয়া হবে। এমনটাও মন্তব্য করতে দেখা গেল বিচারপতি। কমিশন একটা প্রজন্মের সঙ্গে খেলা করছে। এমনটাও মন্তব্য করেন তিনি।
পুলিশ ঠিকমতো তদন্ত করছে না। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বাড়িতে পোস্টারের ঘটনায় এমনটাই বিরক্ত প্রকাশ করল করলকাতা হাইকোর্ট। কার্যত ক্ষুব্ধ হয়ে বিচারপতি পুলিশকে বলেন, তদন্তের নামে আদালতের সঙ্গে লুকোচুরি খেলবেন না। তদন্ত শামুকের গতিতে হচ্ছে না ঘোড়ার গতিতে, সেটা আমরা দেখব। পুলিশকে সঠিক নাম দিন। একজনের পরিবর্তে আর একজনের নাম দেওয়া ঠিক হবে না।