নজরবন্দি ব্যুরো: কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দাবিতে দীর্ঘ সময় ধরে শহিদ মিনারের পাদদেশে ধর্না জারি রেখেছেন সরকারি কর্মচারিরা। এবার সেখানেই বকেয়া বেতন ও স্থায়ীকরণের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বরস্থ হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ খেতমজুর সমিতির অস্থায়ী কর্মীরা। মঙ্গলবার তাঁদের মিছিলের শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। অর্থাৎ, ডিএ আন্দোলনের পাশাপাশি শহিদ মিনারে অবস্থানে বসবে অস্থায়ী কর্মীরা।


এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দেন, আগামী ১২ দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ওই স্থানে কর্মসূচি চালিয়ে যেতে পারবেন এই কর্মীরা। রাতে শুধুমাত্র ১৫ জন কর্মী বিক্ষোভে অংশ নিতে পারবেন। তবে আদালতের নির্দেশ, সেনার তরফে অনুমতি মিললেই ধর্না করা যাবে।

অস্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, মনরেগা প্রকল্পের অধীনে কাজ করেন তাঁরা। অভিযোগ, ১৬ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না তাঁরা। সঠিক ভাবে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। স্থায়ী কর্মীদের সমতুল্য কাজ করা স্বত্ত্বেও বঞ্চিত করা হচ্ছে। এমনকি চাকরি স্থায়ী নিয়েও কর্তৃপক্ষ উদাসীন। বকেয়া বেতন ও স্থায়ীকরণের দাবিতে কলকাতা পুরসভার পাশেই অবস্থানে বসতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু পুলিশের তরফে অনুমোদন মেলেনি।


পরে স্থান পরিবর্তন করে শহিদ মিনারে করা হয়। সেখানে অন্য কর্মসূচি চলার কারণে পুলিশ অনুমতি দিতে রাজি হয়নি। পরে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। আন্দোলনকারীরা তা মেনে না চললে পুলিশ পদক্ষেপ করতে পারবে বলেও জানায় আদালত।
শহিদ মিনারে অবস্থানে বসবে অস্থায়ী কর্মীরা, অনুমতি হাইকোর্টের

বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ, কেউ নিজেকে বঞ্চিত মনে করলে আন্দোলন করতেই পারেন। সেটা তাঁর অধিকার। তবে কারও কোনও অসুবিধা করা যাবে না। তাঁর নির্দেশ, শান্তিপূর্ণ ভাবে অবস্থানে বসতে পারবেন এই কর্মীরা।







