নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নামে কলকাতা হাইকোর্ট ও তাঁর বাড়ির আশেপাশে পোস্টার পরেছিল। সেই ঘটনায় মঙ্গলবার হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিল পুলিশ। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, যে ছাপাখানায় পোস্টার ছাপা হয়েছে, তার হদিশ পাওয়া গেছে। বিচারপতি মান্থার নামের পোস্টার ছাপিয়েছিল কারা? হদিশ পেয়েছে পুলিশ। এই কাজের সঙ্গে জাহিদ হুসেইন ও মহম্মদ ইকবাল নামে দুই ব্যক্তি যুক্ত। হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তাঁদের দুই জনকেই আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।


এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাশের বৃহত্তর ডিভিশন বেঞ্চে এই রিপোর্ট জমা পড়ে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, পোস্টার ছাপার পিছনে আইনজীবীদের কিছু দাবি তুলে ধরার বিচার প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হয়েছে। পুলিশ কয়েকজনকে এবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রিপোর্টে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হলেও কোনও ঠিকানার উল্লেখ নেই।

এদিন ভারপ্রাপ্তপ্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, রিপোর্টে কয়েকজনের নাম জমা পড়লেও ঠিকানা নেই। ওই সমস্ত আইনজীবীদের নাম ঠিকানা সহ জমা দিতে হবে। কে আইনজীবী? তা জানলেই তো ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে আসবে। এদিন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছেন, এর পিছনে কারা জড়িত? তা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যোগ রয়েছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হবে।
বিচারপতি মান্থার নামের পোস্টার ছাপিয়েছিল কারা? জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ

শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেখান থেকেই বিতর্কের সুচনা। পরে শুভেন্দু অধিকারী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরের ছবি সহযোগে পোস্টার পড়ে শহরের একাধিক জায়গায়। এমনকি বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে দেখা যায় আইনজীবীদের। পরে আইনি জটিলতা দেখা যায়।









