এজলাসের বাইরে গেট আটকে বিক্ষোভে বসেন আইনজীবীদের একাংশ। যার ফলে স্তব্ধ হয়ে যায় বিচারপ্রক্রিয়া। এজলাসে ছাড়তে বাধ্য হন বিচারপতি। আজ এজলাসের কাজ মুলতুবী করে দেন তিনি। অন্যদিকে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নামে আদালতের ববাইরে একাধিক জায়গায় পোস্টার পড়তে দেখা যায়।
একমাত্র শুভেন্দুকে বলতে শোনা যায় আমি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে যাবো। কীসের জন্য কোন কারনে? বারবার আদালত কেন শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকচ দিচ্ছে? প্রশ্ন তৃণমূল মুখপাত্রের। কেন আদালত বলছে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে গেলে কোর্টের অনুমোদন লাগবে। আইপিএসদের ভয় দেখাচ্ছে শুভেন্দু। আপনি তাঁকে প্রোটেকশন দিচ্ছেন। কালকের ঘটনার দায়িত্ব বিচারপতি মান্থাকেও নিতে হবে।