নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১২, ১৪ এবং ২১। তিনটে দিন গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ। শুভেন্দুর এই মন্তব্য এরপর সিবিআই হেফাজতে লালন শেখের মৃত্যু এবং বুধবার আসানসোলে তিন জনের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমাগত বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ। জানালেন, কালকের ঘটনার দায়িত্ব বিচারপতি মান্থাকেও নিতে হবে।
আরও পড়ুনঃ Dilip-Suvendu: আমি কোনও তারিখের রাজনীতি করি না, ফের শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সরব দিলীপ
তাঁর কথায়, সিবিআইয়ের অফিসারদের যোগ্যতা নিয়ে আমাদের কোনও প্রশ্ন নেই। কিন্তু ব্র্যান্ড সিবিআইয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে দিচ্ছে এই নেতা। এই শুভেন্দু অধিকারীরা। সিবিআই ওর বাড়িতে যাবে। সিবিআই ওমুক দিন ওমুককে ধরবে। তার মানে তাঁরা সিবিআইকে ব্যবহার করছেন। তাহলে সিবিআই কাউকে মেরে দেবে এটা তাঁর নির্দেশে হতে পারে। যদি বাড়ি যাওয়ার ডেট বলা যায়! যদি কার বাড়ি যাওয়া হবে? সেটা বলা যায়। তাহলে মৃত্যু ঘটানোর পরামর্শ হতেই পারে। আমরা গতকাল আসানসোলের ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন জানাচ্ছি।

তৃণমূল মুখপাত্রের সংযোজন, গতকালের সভায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ কমিশনারেটের বক্তব্য, অনুমতি ছাড়াই এই সভা হয়েছে। কিছুক্ষণ পরে এখলাম একটি চিঠি একটি থানাকে দেওয়া হয়েছে, সেটা ছাড়া হয়েছে। সেটি দিয়েছেন আসানসোলের পুরনিগমের বিরোধী দলের একজন। সেখানে পরিষ্কার লেখা রয়েছে, কনটেন্ট নট ভেরিফায়েড। এই তফাতটা কেউ বুঝতে পারছে না। পুলিশের তরফে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ওই অনুষ্ঠানে কতজন উপস্থিত থাকবেন? অপিভযগ বিজেপির তরফে কোনও যোগাযোগ করা হুয়েনি।
একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে কুণাল ঘোষের মন্তব্য, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ আজ সকালে বলেছেন অনেক বেশী প্রস্তুতি থাকা উচিত ছিল। ব্যর্থতা যে শুভেন্দু এবং ওখানে যারা অনুষ্ঠানে দায়িত্বে ছিলেন তাঁদের মধ্যে সেটা একেবারেই স্পষ্ট হয়ে গেছে। শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে যাচ্ছেন।
কালকের ঘটনার দায়িত্ব বিচারপতি মান্থাকেও নিতে হবে, বিচারপতিকেও আক্রমণ তৃণমূলের

একইসঙ্গে গতকালের ঘটনা প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য পেশ করেন। তাঁর কথায়, এক সময় পুলিশ বাবা বলে গালাগালি করেন। কাল ভোল বদলে ফেলেছেন। শুভেন্দু অধিকারী বেপরোয়াভাবে পুলিশকে আক্রমণ করছেন। পুলিশকে না মেনে আইনশৃঙ্খলা পৈতৃক সম্পত্তি ভেবে নিয়েছেন। এর জন্য দায়ি বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।
এরপরেই তিনি বলেন, একমাত্র শুভেন্দুকে বলতে শোনা যায় আমি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে যাবো। কীসের জন্য কোন কারনে? বারবার আদালত কেন শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকচ দিচ্ছে? প্রশ্ন তৃণমূল মুখপাত্রের। কেন আদালত বলছে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে গেলে কোর্টের অনুমোদন লাগবে। আইপিএসদের ভয় দেখাচ্ছে শুভেন্দু। আপনি তাঁকে প্রোটেকশন দিচ্ছেন। কালকের ঘটনার দায়িত্ব বিচারপতি মান্থাকেও নিতে হবে।



