নজরবন্দি ব্যুরোঃ ডিসেম্বরেই বিরাট চমক রয়েছে। কয়েকমাস ধরেই বঙ্গ রাজনীতিতে জল্পনা বাড়িয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। পরে ১২, ১৪ এবং ২১ তারিখের কথা উল্লেখ করে সেই জল্পনায় ঘৃতাহুতি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু গত দুই দিনেই রাজ্য রাজনীতিতে যে সমস্ত ঘটনাবলী ঘটেছে, তাতে বিরোধী দলনেতার দিকে প্রশ্ন তুলেছে শাসক দল। এবার তাঁকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করে বসলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুনঃ টাকার বিনিময়ে ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে, ইডিকেও তদন্তে নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের


বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, তারিখ পে তারিখ। আমি কোনও তারিখের রাজনীতি করি না। কারণ আমার মতে শুধু ভোটটা তারিখ মিলিয়ে হয়। তবে কী কয়েকদিন আগেই দিলীপ সম্পর্কে যে মন্তব্য শুভেন্দু করেছেন, তারই জবাবে এহেন মন্তব্য করে বসলেন? বিজেপির অন্দরে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যে ফাটল ধরা পড়েছিল, তা কী এখন তীব্র হল?

চলতি সপ্তাহেই হাজরার সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে বলতে শোনা যায়, আমি শুভেন্দু অধিকারী আমি বিরোধী দলনেতা। আমি কোনও গিমিকে পছন্দ করি না। আমি সকালবেলা মর্নিং ওয়াক করতে গিয়েই মিডিয়াকে স্টেটমেন্ট করি না। আমি যা বলি ভেবে বলি। সিপিএমের সূর্য যখন মধ্যগগণে, আমি লক্ষ্মণ শেঠকে হারিয়েছি। তৃণমূলের যখন সময় তখন আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছি। আপনারা শুনে রাখুন পশ্চিমবঙ্গের বড় ডাকাত, ধেড়ে ইঁদুর জেলের ভিতরে যাবেই।



তার জবাবে এদিন দিলীপ ঘোষ বলে আমি সকালে মর্নিং ওয়াকে মিডিয়া বাইট দিয়ে বেড়াই না। একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, প্রত্যেকে নিজের মতো করে রাজনীতি করে। কথা বলে। স্টাইল আলাদা। মানুষ ঠিক করে দেয় এর মধ্যে কে ঠিক কে ভুল।
একইসঙ্গে গতকাল আসানসোলের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, মেদিনীপুরের সাংসদের কথায়, অনুমতি ছিল কি ছিল না সেটা রেকর্ডের ব্যাপার৷ পুলিশ একরকম বলছে। যারা করেছে, তারা একরকম বলছে৷ বড় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুধুমাত্র পুলিশের ওপর ভরসা করে হয় না৷ নিজেদের তরফ থেকে হওয়া উচিত৷ যেখানে ব্যাপক ভিড় হয়৷ যেখানে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কিছু পাবে বললে প্রাণ দিয়ে দৌড়ায়।
আমি কোনও তারিখের রাজনীতি করি না, বিজেপিতে ফাটল অব্যাহত

তিনি আরও বলেন, আপনারা দেখেছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে চাপা পড়ে মারা গেছে লোক৷ দান ক্ষয়রাতির ব্যাপারটা মানবতার অপমান। লোভ দেখিয়ে নিয়ে আসা৷ যেখানেই হোক আমি এই ব্যাপারটাকে সমর্থন করি না৷ আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন৷ গরীবদের দিতে হলে আরও অনেক উপায় রয়েছে। এই ধরনের পরিবেশ যেন না হয়, সকলকেই খেয়াল রাখতে হবে।







