কামব্যাক জিতেন্দ্রর, পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর পশ্চিম বর্ধমানের তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদ থেকে আচমকা ইস্তফা দেন। জানিয়ে দেন দলত্যাগের কথাও। কিন্তু ঠিক তার পর দিনই অবশ্য বদলে যায় ছবিটা। কলকাতায় রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের
'কয়লাচোর এই বিধায়ক'কে আর চাইছেন না মানুষ। রাজনীতির দলবদলের সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন্ড হচ্ছে বেশ কিছু স্লোগান। 'দাদার অনুগামী'র পর এবার স্লোগান উঠছে 'এই বিধায়ক আর না'। আর স্লোগান উঠছে এমন একজনকে ঘিরে যিনি মাঝখানে ততপর হয়েছিলেন 'দাদার অনুগামী' হতে। পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি দলের বিরুদ্ধে বেসুরো হওয়ার পর থেকেই বেশ চাপেই আছেন। শুভেন্দু অধিকারী দলত্যাগ করার পর থেকেই তাল মিলিয়ে বিজেপির হাত ধরার প্রচেস্টা করছিলেন তিনি।
শুভেন্দু র সঙ্গেই দলবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রচুর সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এরপরই নিজের দলে ফেরার পরিকল্পনা করেন। সময়মত তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেবেন বলেও প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তৃণমূলের সঙ্গে ভাঙ্গা সম্পর্ক আর জোড়া লাগেনি। আজকের টুইটে তার প্রমাণ আবারও একবার বোঝা গেল।
নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরপ্রশাসকের পর জেলা সভাপতি পদও হাতছাড়া হল জিতেন্দ্র তিওয়ারির। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেলেন অপূর্ব মুখোপাধ্যায়। ইস্তফাপত্র ফিরিয়ে নেননি বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া...
ডানা ছাঁটালো তৃণমূল, বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এবার সেই জল্পনার অবসান ঘটল শনিবার। এবার আসানসোল পুরসভার নতুন পুরপ্রশাসক পদে বসলেন অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। হারানো সেই পদ তিনি আর ফিরে পেলেন না। শনিবারই রাজ্য সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর