নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘কয়লাচোর এই বিধায়ক’কে আর চাইছেন না মানুষ। রাজনীতির দলবদলের সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন্ড হচ্ছে বেশ কিছু স্লোগান। ‘দাদার অনুগামী’র পর এবার স্লোগান উঠছে ‘এই বিধায়ক আর না’। আর স্লোগান উঠছে এমন একজনকে ঘিরে যিনি মাঝখানে ততপর হয়েছিলেন ‘দাদার অনুগামী’ হতে। পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি দলের বিরুদ্ধে বেসুরো হওয়ার পর থেকেই বেশ চাপেই আছেন। শুভেন্দু অধিকারী দলত্যাগ করার পর থেকেই তাল মিলিয়ে বিজেপির হাত ধরার প্রচেস্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু তৃণমূলের প্রতি এই বেসুর সুর বাঁধতে পারেনি বিজেপিতে। দল শুভেন্দু অধিকারী কে নিলেও গ্রহণ করেনি জিতেন্দ্র কে। তাঁর পর থেকে কার্যত দুকুল হারাতে বসেছেন জিতেন্দ্র।
আরও পড়ুনঃ দুর্ঘটনার কবলে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর গাড়ি
বিজেপিতে যেতে যেতে তৃণমূলের ঘরে ফিরে আসার পরও ফল মিলছে না কোন, বার বার ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করার পরও একে একে ও দলের একাধিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। এমনকি জায়গা পাননি দলের জেলা কমিটিতে। ধীরে ধীরে রাজনীতির ককপিটে ফিরতে চেয়ে চেষ্টা চালাছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক মঞ্চে দেখাও গেছে তাঁকে। কিন্তু তাতে যে দসলেওর কর্মী সমর্থকদের যে মনে পুরনো বিশ্বাস ফিরে আসেনি তা স্পষ্ট হচ্ছে দিনে দিনে।
সবকিছু ঠিকঠাক করতে চেয়ে ফের আবার যখন তৃণমূল ভবনে যাতায়াতও শুরু করেছেন, কিন্তু তখনই ঘটছে ছন্দপতন। দলের কর্মীরা জিতেন্দ্রর ওপর আর ভরসা রাখছেনা। “কয়লাচোর বিধায়ককে মানছি না, মানব না” থেকে “এই বিধায়ক আর নয়”, বলে পোস্টার পড়েছে পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে। রাতের অন্ধকারে এই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কে বা কারা এই কাজ করছেন বা করলেন সে বিষয়ে জানা যায়নি এখনো। ওই ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।
‘কয়লাচোর এই বিধায়ক’কে আর চাইছেন না মানুষ। সব ঠিক থাকাএ মাঝেই হঠাত্ ছন্দপতন! “এই বিধায়ক আর নয়”, “কয়লাচোর বিধায়ককে মানছি না, মানব না”- এমনই সব পোস্টারে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে। রাতের অন্ধকারে কারা লাগলো এই পোস্টার? যে বা যাঁরা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দলের তরফে ব্যবস্থা নেওয়া ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই কি এই ঘটনা ঘটেছে? যদিও সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অপূর্ব মুখোপাধ্যায়।তবে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি নিজে অবশ্য এ বিষয়ে মুখ কুলুপ এঁটেছেন।



